দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি পরিকল্পনায় বড় চ্যালেঞ্জ

ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি পরিকল্পনায় বড় চ্যালেঞ্জ
ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি পরিকল্পনায় বড় চ্যালেঞ্জ

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর রাশিয়ায় গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বুধবার ২১ অক্টোবর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়া এবং বৃহত্তর আলোচনার পথ তৈরি করাই উইটকফের এই সফরের মূল লক্ষ্য। এর আগে মঙ্গলবার নরওয়েতে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত। সেখান থেকে সরাসরি রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, সেন্ট পিটার্সবার্গের পুলকোভো বিমানবন্দরে পৌঁছালে ক্রেমলিনের দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ তাকে স্বাগত জানান। মার্কিন এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, নরওয়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ইউক্রেনের দেওয়া নতুন কিছু প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন,ট্রাম্পের ভিসানীতিতে চাপে বিদেশি নাগরিকেরা

পাশাপাশি পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়েছে। আলোচনায় ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, যুদ্ধ-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং ইউরোপের বৃহত্তর নিরাপত্তা কাঠামোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে এখনো বড় বাধা রয়েছে। ইউক্রেন ও তার মিত্ররা ভবিষ্যতে রাশিয়ার হামলা ঠেকাতে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায়। একই সঙ্গে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কিয়েভ। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের পুরো অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে মস্কো। পাশাপাশি ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর আকার কমানো এবং দেশটিকে কখনো ন্যাটোতে যোগ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার দাবিও রয়েছে রাশিয়ার। এদিকে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও শান্তি আলোচনায় যুক্ত রয়েছেন। তবে ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ায় রাশিয়ায় সরাসরি বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না তিনি। দূর থেকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। ওয়াশিংটন চাইছে, ইউক্রেন ও ইউরোপের সঙ্গে আলোচনায় হওয়া অগ্রগতির ভিত্তিতে রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা এবং পরবর্তী সময়ে তিন পক্ষের বৈঠকের পথ তৈরি করতে। তবে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও ন্যাটোতে যোগদানের প্রশ্নে মতপার্থক্য দূর করাই এখন শান্তি আলোচনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিষয় : চ্যালেঞ্জ যুদ্ধ ইউক্রেন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি পরিকল্পনায় বড় চ্যালেঞ্জ

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর রাশিয়ায় গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। বুধবার ২১ অক্টোবর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি প্রস্তাব এগিয়ে নেওয়া এবং বৃহত্তর আলোচনার পথ তৈরি করাই উইটকফের এই সফরের মূল লক্ষ্য। এর আগে মঙ্গলবার নরওয়েতে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন বিশেষ দূত। সেখান থেকে সরাসরি রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, সেন্ট পিটার্সবার্গের পুলকোভো বিমানবন্দরে পৌঁছালে ক্রেমলিনের দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ তাকে স্বাগত জানান। মার্কিন এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, নরওয়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ইউক্রেনের দেওয়া নতুন কিছু প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন,ট্রাম্পের ভিসানীতিতে চাপে বিদেশি নাগরিকেরা

পাশাপাশি পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়েছে। আলোচনায় ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, যুদ্ধ-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং ইউরোপের বৃহত্তর নিরাপত্তা কাঠামোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে এখনো বড় বাধা রয়েছে। ইউক্রেন ও তার মিত্ররা ভবিষ্যতে রাশিয়ার হামলা ঠেকাতে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায়। একই সঙ্গে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কিয়েভ। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের পুরো অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে মস্কো। পাশাপাশি ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর আকার কমানো এবং দেশটিকে কখনো ন্যাটোতে যোগ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার দাবিও রয়েছে রাশিয়ার। এদিকে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও শান্তি আলোচনায় যুক্ত রয়েছেন। তবে ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ায় রাশিয়ায় সরাসরি বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না তিনি। দূর থেকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। ওয়াশিংটন চাইছে, ইউক্রেন ও ইউরোপের সঙ্গে আলোচনায় হওয়া অগ্রগতির ভিত্তিতে রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা এবং পরবর্তী সময়ে তিন পক্ষের বৈঠকের পথ তৈরি করতে। তবে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও ন্যাটোতে যোগদানের প্রশ্নে মতপার্থক্য দূর করাই এখন শান্তি আলোচনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি পরিকল্পনায় বড় চ্যালেঞ্জ
0:00 0:00
1.0x