ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনটি জন্মনিবন্ধন করার চেষ্টার অপরাধে মো. আবুল কালাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ২টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আবুল কালাম কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে। জানা যায়, এক ব্যক্তির ভুয়া ছেলে ও দুই মেয়ের পরিচয় ব্যবহার করে তিনটি জন্মনিবন্ধনের আবেদন করেন আবুল কালাম। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান আবেদনগুলো যাচাই করেন। যাচাইয়ে দেখা যায়, আবেদনে উল্লেখিত ব্যক্তির কোনো ছেলে সন্তান নেই এবং আবেদনপত্রে উল্লিখিত নামের কোনো মেয়েও তাঁর নেই।
আরও পড়ুন,লামায় তরুণীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা, দুই যুবক আটক
পরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেন। তাঁর নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সঠিক ও নির্ভুল জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করার অপচেষ্টা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : কারাদণ্ড স্বীকার জন্মনিবন্ধন

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনটি জন্মনিবন্ধন করার চেষ্টার অপরাধে মো. আবুল কালাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ২টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আবুল কালাম কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে। জানা যায়, এক ব্যক্তির ভুয়া ছেলে ও দুই মেয়ের পরিচয় ব্যবহার করে তিনটি জন্মনিবন্ধনের আবেদন করেন আবুল কালাম। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান আবেদনগুলো যাচাই করেন। যাচাইয়ে দেখা যায়, আবেদনে উল্লেখিত ব্যক্তির কোনো ছেলে সন্তান নেই এবং আবেদনপত্রে উল্লিখিত নামের কোনো মেয়েও তাঁর নেই।
আরও পড়ুন,লামায় তরুণীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা, দুই যুবক আটক
পরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেন। তাঁর নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সঠিক ও নির্ভুল জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করার অপচেষ্টা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন