রাজধানীর হাজারীবাগে মো. সালেক খান বাবু (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে পশ্চিম ধানমন্ডির জাফরাবাদ এলাকার একটি ১০ তলা ভবনের গ্যারেজের ওপর টিনের ছাউনি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম মরদেহটি উদ্ধার করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে সালেক খানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের বরাতে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ভবনের গেটের সামনে কেয়ারটেকার বাঁধন দেওয়ের সঙ্গে সালেক খানের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।
আরও পড়ুন, রাজধানীর বাজারে মাছ মাংসের দাম অপরিবর্তিত শিম ২০০ পেঁপে ৩০
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে সালেক কয়েকজনকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। তারা দারোয়ানকে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে মাথায় আঘাত করে আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দারোয়ানের চিৎকার শুনে সালেকের সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।পরে আরেক দারোয়ান মিল্টন আরও তিনজনকে নিয়ে ভবনের ছাদে যান। কিছুক্ষণ পর তারা নিচে নেমে আসেন। এরপর ভবনের গ্যারেজের ওপর টিনের ছাউনির ওপর থেকে সালেক খান বাবুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত সালেক খান বাবু ডিসের ব্যবসা করতেন। তার বাবার নাম ইদ্রিস খান।এ ঘটনায় নিহতের বোন মোফাইয়া খান ইভা অভিযোগ করেছেন, তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে মারধর করে ভবন থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিষয় : ব্যবসায়ী মরদেহ উদ্ধার তদন্তে পুলিশ

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর হাজারীবাগে মো. সালেক খান বাবু (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে পশ্চিম ধানমন্ডির জাফরাবাদ এলাকার একটি ১০ তলা ভবনের গ্যারেজের ওপর টিনের ছাউনি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম মরদেহটি উদ্ধার করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে সালেক খানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের বরাতে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ভবনের গেটের সামনে কেয়ারটেকার বাঁধন দেওয়ের সঙ্গে সালেক খানের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।
আরও পড়ুন, রাজধানীর বাজারে মাছ মাংসের দাম অপরিবর্তিত শিম ২০০ পেঁপে ৩০
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে সালেক কয়েকজনকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। তারা দারোয়ানকে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে মাথায় আঘাত করে আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দারোয়ানের চিৎকার শুনে সালেকের সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।পরে আরেক দারোয়ান মিল্টন আরও তিনজনকে নিয়ে ভবনের ছাদে যান। কিছুক্ষণ পর তারা নিচে নেমে আসেন। এরপর ভবনের গ্যারেজের ওপর টিনের ছাউনির ওপর থেকে সালেক খান বাবুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত সালেক খান বাবু ডিসের ব্যবসা করতেন। তার বাবার নাম ইদ্রিস খান।এ ঘটনায় নিহতের বোন মোফাইয়া খান ইভা অভিযোগ করেছেন, তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে মারধর করে ভবন থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন