ঢাকার কেরানীগঞ্জে পাপ্পু বর্মন (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে জিনজিরা ইউনিয়নের মালোপাড়া এলাকার নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পাপ্পু ওই গ্রামের শংকর বর্মনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাপ্পু দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে তিনি একাধিকবার পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকেও ধারদেনা করেছিলেন। এতে ধীরে ধীরে তার ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে বলে স্থানীয়রা জানান।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অনলাইন জুয়ার কারণে পাপ্পু আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা তাদের। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুন, ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, মিরপুরে চার মামলা
পাপ্পুর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অনলাইন জুয়ার কারণে তরুণদের একটি অংশ আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছে।কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। নিহত যুবক অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে পাপ্পু বর্মন (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে জিনজিরা ইউনিয়নের মালোপাড়া এলাকার নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পাপ্পু ওই গ্রামের শংকর বর্মনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাপ্পু দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে তিনি একাধিকবার পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকেও ধারদেনা করেছিলেন। এতে ধীরে ধীরে তার ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে বলে স্থানীয়রা জানান।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অনলাইন জুয়ার কারণে পাপ্পু আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা তাদের। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুন, ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, মিরপুরে চার মামলা
পাপ্পুর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অনলাইন জুয়ার কারণে তরুণদের একটি অংশ আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছে।কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। নিহত যুবক অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন