মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা কমে আসায় দেশে কমতে শুরু করেছে বৃষ্টির প্রবণতা। অক্টোবরের শুরুতেই বর্ষার প্রভাব অনেকটা বিদায় নেওয়ায় দেশের অধিকাংশ এলাকায় এখন বিরাজ করছে তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া। তবে চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ কয়েকটি অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বাংলাদেশে আষাঢ় থেকে আশ্বিন এই চার মাস বর্ষাকাল হিসেবে পরিচিত। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের বড় একটি অংশ এ সময়েই হয়ে থাকে। তবে আশ্বিনের শেষভাগে এসে প্রকৃতিতে শুরু হয়েছে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব। দিনের বেলায় ভ্যাপসা গরম থাকলেও রাত ও ভোরের দিকে অনুভূত হচ্ছে তুলনামূলক শীতল বাতাস। কোথাও কোথাও ভোরে কুয়াশার আবছা উপস্থিতিও দেখা যাচ্ছে।বুধবার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে, ১৩১ মিলিমিটার। অন্যদিকে সৈয়দপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আরও পড়ুন, ফেনীর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।এদিকে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে ঢাকাসহ কিছু এলাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি।আবহাওয়ার এই পরিবর্তনকে শীতের আগমনের প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা গেলেও এখনই জেঁকে শীত নামার সম্ভাবনা নেই। কার্তিকের দিকে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা আরও কমে কুয়াশার প্রবণতা বাড়তে পারে। ফলে বর্ষার বিদায়ের সঙ্গে প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে শীতের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
বিষয় : মৌসুমি বায়ু কুয়াশার আভাস বর্ষার বিদায়

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা কমে আসায় দেশে কমতে শুরু করেছে বৃষ্টির প্রবণতা। অক্টোবরের শুরুতেই বর্ষার প্রভাব অনেকটা বিদায় নেওয়ায় দেশের অধিকাংশ এলাকায় এখন বিরাজ করছে তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া। তবে চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ কয়েকটি অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বাংলাদেশে আষাঢ় থেকে আশ্বিন এই চার মাস বর্ষাকাল হিসেবে পরিচিত। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের বড় একটি অংশ এ সময়েই হয়ে থাকে। তবে আশ্বিনের শেষভাগে এসে প্রকৃতিতে শুরু হয়েছে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব। দিনের বেলায় ভ্যাপসা গরম থাকলেও রাত ও ভোরের দিকে অনুভূত হচ্ছে তুলনামূলক শীতল বাতাস। কোথাও কোথাও ভোরে কুয়াশার আবছা উপস্থিতিও দেখা যাচ্ছে।বুধবার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে, ১৩১ মিলিমিটার। অন্যদিকে সৈয়দপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আরও পড়ুন, ফেনীর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।এদিকে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে ঢাকাসহ কিছু এলাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি।আবহাওয়ার এই পরিবর্তনকে শীতের আগমনের প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা গেলেও এখনই জেঁকে শীত নামার সম্ভাবনা নেই। কার্তিকের দিকে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা আরও কমে কুয়াশার প্রবণতা বাড়তে পারে। ফলে বর্ষার বিদায়ের সঙ্গে প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে শীতের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন