রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠার পর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টার্স থেকে জারি করা এক কার্যালয় আদেশে তাকে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরের সদর সপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করার কথা জানানো হয়। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতের দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে প্রবেশ করে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন। পরে কেন্দ্রের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করা হয়। এরপর ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা স্থাপনাসহ কেন্দ্রটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলা হয়।ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
আরও পড়ুন, ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক তিনজন
হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। কেন হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ ঠেকানো যায়নি, তা খতিয়ে দেখতে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্তে কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।এ ঘটনায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন। মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে ২০০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পরে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি মিরপুরের নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভূমিকা রেখে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল। হামলার ঘটনায় বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের দায়িত্ব পাল
বিষয় : হামলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ওসি প্রত্যাহার

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠার পর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টার্স থেকে জারি করা এক কার্যালয় আদেশে তাকে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরের সদর সপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করার কথা জানানো হয়। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতের দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে প্রবেশ করে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন। পরে কেন্দ্রের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করা হয়। এরপর ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা স্থাপনাসহ কেন্দ্রটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলা হয়।ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
আরও পড়ুন, ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক তিনজন
হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। কেন হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ ঠেকানো যায়নি, তা খতিয়ে দেখতে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্তে কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।এ ঘটনায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন। মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে ২০০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পরে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি মিরপুরের নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভূমিকা রেখে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল। হামলার ঘটনায় বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের দায়িত্ব পাল

আপনার মতামত লিখুন