দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মাঠে নেমেছে সরকারের ৪ বাহিনী

মাঠে নেমেছে সরকারের ৪ বাহিনী
মাঠে নেমেছে সরকারের ৪ বাহিনী

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে বাসে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ও অন্যান্য নাশকতার ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর প্রবেশমুখ, পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং কেপিআইভুক্ত স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েকটি অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ঘটনায় একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা, অর্থায়ন ও নির্দেশনার বিষয় তদন্তে এসেছে। পুলিশের দাবি, দেশের বাইরে অবস্থানরত কিছু ব্যক্তি দেশের ভেতরে থাকা কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থের লেনদেন করছেন। তবে এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও আদালতসংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে তদন্তাধীন তথ্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলের ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, বাসাবো ও খিলগাঁও এবং পশ্চিমাঞ্চলের গাবতলী, মোহাম্মদপুর, বসিলা ও মিরপুরের প্রান্তিক এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত চেকপোস্ট, টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা

এদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সাখাওয়াত হোসেন রায়হান ও মো. সাইমুন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রায়হান বাংলাদেশ রেলওয়ের কমলাপুর স্টেশনের এমওডি শাখায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।সাম্প্রতিক বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো নিয়েও তদন্ত চলছে। কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত বাসের মালিকানা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা তদন্তের আওতায় এসেছে এবং অগ্নিসংযোগের পেছনে বীমা সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই দাবির পক্ষে প্রকাশ্য তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তাধীন অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

বিষয় : ককটেল বিস্ফোরণ মাঠে নেমেছে ৪ বাহিনী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাঠে নেমেছে সরকারের ৪ বাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে বাসে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ও অন্যান্য নাশকতার ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর প্রবেশমুখ, পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং কেপিআইভুক্ত স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েকটি অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ঘটনায় একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা, অর্থায়ন ও নির্দেশনার বিষয় তদন্তে এসেছে। পুলিশের দাবি, দেশের বাইরে অবস্থানরত কিছু ব্যক্তি দেশের ভেতরে থাকা কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থের লেনদেন করছেন। তবে এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও আদালতসংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে তদন্তাধীন তথ্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলের ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, বাসাবো ও খিলগাঁও এবং পশ্চিমাঞ্চলের গাবতলী, মোহাম্মদপুর, বসিলা ও মিরপুরের প্রান্তিক এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত চেকপোস্ট, টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা

এদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সাখাওয়াত হোসেন রায়হান ও মো. সাইমুন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রায়হান বাংলাদেশ রেলওয়ের কমলাপুর স্টেশনের এমওডি শাখায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।সাম্প্রতিক বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো নিয়েও তদন্ত চলছে। কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত বাসের মালিকানা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা তদন্তের আওতায় এসেছে এবং অগ্নিসংযোগের পেছনে বীমা সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই দাবির পক্ষে প্রকাশ্য তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তাধীন অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মাঠে নেমেছে সরকারের ৪ বাহিনী
0:00 0:00
1.0x