কক্সবাজারের টেকনাফে পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামির জামিন আবেদনের ওপরও আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।২০১৮ সালের ২৬ মে টেকনাফে একরামুল হককে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। গত ২৬ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়। প্রসিকিউশনের দাবি ছিল একরামুল হককে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় হত্যা করা হয়েছে।মামলার আসামিদের মধ্যে বর্তমানে চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান।অন্যদিকে শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আর থাকছে না দলীয় প্রতীক
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ মেজর অবসরপ্রাপ্ত রুহুল আমিন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে টেকনাফের হোটেল নেটংয়ের সামনে থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে মেরিন ড্রাইভের নোয়াখালীয়া পাড়া এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে অপহরণ অবৈধ আটক হত্যা এবং অপরাধে প্ররোচনার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পাশাপাশি তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণের জন্য আগে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। তারা নির্ধারিত সময়ে হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।এখন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হবে কি না এবং গ্রেপ্তার থাকা আসামিদের জামিন আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত আসে সেদিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
বিষয় : ক্ষমতাচ্যুত গণহত্যা মামলা শুনানি আজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামির জামিন আবেদনের ওপরও আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।২০১৮ সালের ২৬ মে টেকনাফে একরামুল হককে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। গত ২৬ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়। প্রসিকিউশনের দাবি ছিল একরামুল হককে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় হত্যা করা হয়েছে।মামলার আসামিদের মধ্যে বর্তমানে চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান।অন্যদিকে শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আর থাকছে না দলীয় প্রতীক
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ মেজর অবসরপ্রাপ্ত রুহুল আমিন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে টেকনাফের হোটেল নেটংয়ের সামনে থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে মেরিন ড্রাইভের নোয়াখালীয়া পাড়া এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে অপহরণ অবৈধ আটক হত্যা এবং অপরাধে প্ররোচনার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পাশাপাশি তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণের জন্য আগে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। তারা নির্ধারিত সময়ে হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।এখন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হবে কি না এবং গ্রেপ্তার থাকা আসামিদের জামিন আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত আসে সেদিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন