সাইবার অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার অপরাধ দমন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে ইয়াও ওয়েন জানান, গত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে সাইবার অপরাধ, জননিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিন প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় চীনের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চীনের সাইবার ল্যাব পরিদর্শনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চীনে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রতিনিধি দলটি দেশটির সাইবার ল্যাব ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশে ফরেনসিক ল্যাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করবে।এদিকে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আগামী অক্টোবরের শুরুতে বাংলাদেশে তার দায়িত্ব শেষ করে দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চীনের জননিরাপত্তামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফর ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার আমন্ত্রণও পৌঁছে দেন তিনি।
বিষয় : নতুন উদ্যোগ সাইবার অপরাধ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাইবার অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার অপরাধ দমন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে ইয়াও ওয়েন জানান, গত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে সাইবার অপরাধ, জননিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিন প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় চীনের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চীনের সাইবার ল্যাব পরিদর্শনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চীনে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রতিনিধি দলটি দেশটির সাইবার ল্যাব ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশে ফরেনসিক ল্যাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করবে।এদিকে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আগামী অক্টোবরের শুরুতে বাংলাদেশে তার দায়িত্ব শেষ করে দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চীনের জননিরাপত্তামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফর ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার আমন্ত্রণও পৌঁছে দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন