দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব অর্থ দিয়ে বিদেশে ভিলা কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগের অভিযোগও করা হয়েছে।এ ছাড়া বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতি, টেন্ডার এবং উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং দেশের ৩৬ জেলায় ডিসি পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পুড়ন, উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী
এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টেন্ডার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে।ঢাকা ওয়াসার এমডি নিয়োগে ১০ কোটি টাকা, এলজিইডির সাবেক চিফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগে ৫২ কোটি এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সিইও নিয়োগে ৬৫ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো প্রমাণিত নয়। অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে দুদক।
বিষয় : অনুসন্ধান আসিফ মাহমুদ কোটি টাকার

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব অর্থ দিয়ে বিদেশে ভিলা কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগের অভিযোগও করা হয়েছে।এ ছাড়া বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতি, টেন্ডার এবং উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং দেশের ৩৬ জেলায় ডিসি পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পুড়ন, উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী
এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টেন্ডার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে।ঢাকা ওয়াসার এমডি নিয়োগে ১০ কোটি টাকা, এলজিইডির সাবেক চিফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগে ৫২ কোটি এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সিইও নিয়োগে ৬৫ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো প্রমাণিত নয়। অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে দুদক।

আপনার মতামত লিখুন