বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলির আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর—মাউশি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।মাউশির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদলি নীতিমালা অনুসারে আগ্রহী শিক্ষকরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এ বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রদর্শক ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ জারি করা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৩-এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বদলির পর নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য কোনো ধরনের টিএ বা ডিএ পাবেন না শিক্ষকরা।বদলির ক্ষেত্রে একজন শিক্ষক পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে পারবেন। আবেদন যাচাই শেষে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ জারি করবে।নিজ জেলায় শূন্য পদ থাকলে শিক্ষক সেখানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আরও পড়ুন ,প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ উন্নয়ন...মুশফিকুর রহমান এমপি
নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে।এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল—যদি সেটি সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হয়—সেই জেলাতেও বদলির আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।তবে প্রথম চাকরিতে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ না হলে বদলির আবেদন করা যাবে না। একইভাবে একবার বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর দায়িত্ব পালন করতে হবে পরবর্তী বদলির আবেদনের জন্য।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে করা আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।এ ছাড়া বদলির আবেদন করলেই বদলি পাওয়ার অধিকার তৈরি হবে না। কোনো শিক্ষকের স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলেও তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।তাই আবেদন করার আগে নির্ধারিত শর্ত ও নিজের যোগ্যতা ভালোভাবে যাচাই করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : শিক্ষক এমপিওভুক্ত উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলির আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর—মাউশি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।মাউশির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদলি নীতিমালা অনুসারে আগ্রহী শিক্ষকরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এ বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রদর্শক ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ জারি করা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৩-এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বদলির পর নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য কোনো ধরনের টিএ বা ডিএ পাবেন না শিক্ষকরা।বদলির ক্ষেত্রে একজন শিক্ষক পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে পারবেন। আবেদন যাচাই শেষে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ জারি করবে।নিজ জেলায় শূন্য পদ থাকলে শিক্ষক সেখানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আরও পড়ুন ,প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ উন্নয়ন...মুশফিকুর রহমান এমপি
নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে।এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল—যদি সেটি সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হয়—সেই জেলাতেও বদলির আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।তবে প্রথম চাকরিতে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ না হলে বদলির আবেদন করা যাবে না। একইভাবে একবার বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর দায়িত্ব পালন করতে হবে পরবর্তী বদলির আবেদনের জন্য।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে করা আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।এ ছাড়া বদলির আবেদন করলেই বদলি পাওয়ার অধিকার তৈরি হবে না। কোনো শিক্ষকের স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলেও তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।তাই আবেদন করার আগে নির্ধারিত শর্ত ও নিজের যোগ্যতা ভালোভাবে যাচাই করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন