দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ঘাটতি ও সময়মতো জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত না নেওয়াকে দায়ী করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, সংকটকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।নাহিদ ইসলামের দাবি, সময়মতো জ্বালানি আমদানির ক্রয়-সূচি অনুমোদন না হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করায় বড় সরবরাহকারীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন এবং এতে জ্বালানির দাম বাড়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।চলমান লোডশেডিং নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন নাহিদ ইসলাম।
আরও পড়ুন. রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল চূড়ান্ত ঘোষণা বৃহস্পতিবার
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট রাতে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। এ ছাড়া ৪১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে যাওয়ার দাবি করেন তিনি। গ্রামাঞ্চলে দিনে ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে সংকটের একমাত্র কারণ হিসেবে মানতে নারাজ তিনি। পাশাপাশি মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।সংকট মোকাবিলায় বেসরকারিকরণ স্থগিত, জ্বালানি আমদানির দরপত্রের সময়সীমা পুনরায় ৪২ দিনে ফিরিয়ে নেওয়া, ক্রয়-সূচি দ্রুত অনুমোদন এবং এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে নতুন টার্মিনাল স্থাপনের মতো ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।একই সঙ্গে ক্যাপাসিটি চার্জের পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা, দায়মুক্তি আইন বাতিল এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত জনগণের স্বার্থের বদলে কয়েকটি ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ঘাটতি ও সময়মতো জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত না নেওয়াকে দায়ী করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, সংকটকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।নাহিদ ইসলামের দাবি, সময়মতো জ্বালানি আমদানির ক্রয়-সূচি অনুমোদন না হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করায় বড় সরবরাহকারীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন এবং এতে জ্বালানির দাম বাড়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।চলমান লোডশেডিং নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন নাহিদ ইসলাম।
আরও পড়ুন. রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল চূড়ান্ত ঘোষণা বৃহস্পতিবার
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট রাতে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। এ ছাড়া ৪১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে যাওয়ার দাবি করেন তিনি। গ্রামাঞ্চলে দিনে ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে সংকটের একমাত্র কারণ হিসেবে মানতে নারাজ তিনি। পাশাপাশি মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।সংকট মোকাবিলায় বেসরকারিকরণ স্থগিত, জ্বালানি আমদানির দরপত্রের সময়সীমা পুনরায় ৪২ দিনে ফিরিয়ে নেওয়া, ক্রয়-সূচি দ্রুত অনুমোদন এবং এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে নতুন টার্মিনাল স্থাপনের মতো ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।একই সঙ্গে ক্যাপাসিটি চার্জের পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা, দায়মুক্তি আইন বাতিল এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত জনগণের স্বার্থের বদলে কয়েকটি ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন