বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন, ২০২৫-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সভাপতি করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রধান দায়িত্ব হবে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করা।কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ,
আরও পড়ুন, এসএসসি ফল ২০২৬: ২০০৭ সালের পর সবচেয়ে কম পাশ, জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজারের বেশি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অর্থনীতিবিদ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা প্রয়োজনীয় অন্য কোনো ব্যক্তিকেও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।বিচারকদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে এই কমিটির সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন, ২০২৫-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সভাপতি করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রধান দায়িত্ব হবে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করা।কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ,
আরও পড়ুন, এসএসসি ফল ২০২৬: ২০০৭ সালের পর সবচেয়ে কম পাশ, জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজারের বেশি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অর্থনীতিবিদ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা প্রয়োজনীয় অন্য কোনো ব্যক্তিকেও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।বিচারকদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে এই কমিটির সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন