গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে সচিবালয় ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার দুপুরে মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন নেতাকর্মীরা। জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পর পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়।এ সময় কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নেন জোটের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন, শেখ হাসিনার অডিও বার্তা নিয়ে ভারতের অবস্থানকে ‘দ্বিমুখী’ বললেন রুহুল কবির রিজভী
কর্মসূচিতে উপস্থিত জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা জনগণের দাবি জানাতে এসেছেন এবং সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। তিনি আরও কয়েক মিনিট অবস্থান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।জোটের নেতারা গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, বিদ্যুতের কথিত ‘ভূতুড়ে বিল’, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানান।কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।পরে ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান শেষে কর্মসূচি সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয় : কর্মসূচি ১১ দলীয় সচিবালয় ঘেরা

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে সচিবালয় ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার দুপুরে মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন নেতাকর্মীরা। জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পর পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়।এ সময় কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নেন জোটের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন, শেখ হাসিনার অডিও বার্তা নিয়ে ভারতের অবস্থানকে ‘দ্বিমুখী’ বললেন রুহুল কবির রিজভী
কর্মসূচিতে উপস্থিত জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা জনগণের দাবি জানাতে এসেছেন এবং সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। তিনি আরও কয়েক মিনিট অবস্থান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।জোটের নেতারা গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, বিদ্যুতের কথিত ‘ভূতুড়ে বিল’, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানান।কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।পরে ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান শেষে কর্মসূচি সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন