৪ আগস্ট ২০২৪। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের সবচেয়ে উত্তপ্ত দিনগুলোর একটি। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে দেশজুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ৫২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আন্দোলনকারীরা চারজন নিহত ব্যক্তির মরদেহ নিয়ে বের হন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। সেখানে শ্রদ্ধা জানিয়ে একজনের মরদেহ নিয়ে শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল শুরু করেন।মিছিলটি শাহবাগের দিকে অগ্রসর হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের কাছে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
আরও পড়ুন, সংবিধান সংশোধনের রোডম্যাপ নিয়ে আজ সংসদীয় বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক
আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ গুলি ছোড়ে বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটও ব্যবহার করা হয়। এর ফলে রাজু ভাস্কর্য ও শাহবাগ এলাকা সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।৪ আগস্টের এই ঘটনাপ্রবাহ পরদিনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগমুহূর্তে রাজধানীর পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তোলে।৪ আগস্টের এই দিনটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আলোচিত ও সহিংস দিন হিসেবে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
বিষয় : ছাত্র আন্দোলন ৪ আগস্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
৪ আগস্ট ২০২৪। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের সবচেয়ে উত্তপ্ত দিনগুলোর একটি। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে দেশজুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ৫২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আন্দোলনকারীরা চারজন নিহত ব্যক্তির মরদেহ নিয়ে বের হন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। সেখানে শ্রদ্ধা জানিয়ে একজনের মরদেহ নিয়ে শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল শুরু করেন।মিছিলটি শাহবাগের দিকে অগ্রসর হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের কাছে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
আরও পড়ুন, সংবিধান সংশোধনের রোডম্যাপ নিয়ে আজ সংসদীয় বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক
আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ গুলি ছোড়ে বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটও ব্যবহার করা হয়। এর ফলে রাজু ভাস্কর্য ও শাহবাগ এলাকা সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।৪ আগস্টের এই ঘটনাপ্রবাহ পরদিনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগমুহূর্তে রাজধানীর পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তোলে।৪ আগস্টের এই দিনটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আলোচিত ও সহিংস দিন হিসেবে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন