সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে কৃষকের সহায়তার তালিকা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে । এলাকার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাম প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার তালিকা থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিককে, প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে ওয়ার্ড কমিটির যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম মিয়া।এলাকার কৃষকদের অভিযোগ দায়িত্ব প্রাপ্তরা তালিকায় স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি অনিয়ম করেছেন, এমন প্রতিবাদ উঠেছে এলাকা জুড়ে। ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ১ হাজার ৮৯০ জন কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করার একটি সরকারি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর পরেই এলাকা জুড়ে অনিয়মের ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পাশাপাশি মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় কৃষকরা। এনিয়ে গত বৃহস্পতিবার একপর্যায়ে সাদ্দাম মিয়া উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিক শিহাব মিয়াকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেয়। বিষয়টি এলাকায় নিন্দার তুফান উঠেছে।এবছর বৈশাখের ফসল মৌসুমে অতি বৃষ্টি হওয়ায়, হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রকাশিত তালিকায় আপত্তি জানানোকে কেন্দ্র করে এক স্থানীয় সাংবাদিক শিহাব মিয়াকে যুবদলের নেতা মোবাইল ফোনে হুমকি দেওয়ার কল রেকর্ড একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ভাইরাল হয়েছে । ভুক্তভোগী মো. শিহাব মিয়া জাতীয় দৈনিক ‘এদিন’ পত্রিকার মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।অভিযোগে জানা যায়,ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম মিয়া দলিয় রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে,তার পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমন সমালোচনা ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে যুবদল নেতা সাদ্দাম মিয়া,
আরও পড়ুন, আজ আবারও প্রকাশ্যে গণনা হবে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের টাকা
সাংবাদিক শিহাব মিয়া'র উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইল ফোনে সাংবাদিক শিহাবকে হুমকি দেন। এবং হুমকির ঘটনা পরক্ষনেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে। সাদ্দাম মিয়ার কল রেকর্ডের হুমকিতে বলে যে,এই বিষয়টি শেষ না করলে তোর সাথে ঝামেলা হবে, গ্রামে থাকতে হলে আমার সাথে দেখা হবে,তুই কতবড় সাংবাদিক আমি দেখে নিবো।এবিষয়ে সাংবাদিক শিহাব মিয়া জানান,আমি গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে অন্যায়ের বিপক্ষে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলি। এবং এলাকায় খুঁজ নিয়ে জানা গেছে,স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তালিকায় অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে। অনেক অকৃষকদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমন প্রতিবাদে বাদ পড়া প্রকৃত কৃষকরা অভিযোগ তুলেছেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত যুবদল নেতা সাদ্দাম মিয়া হুমকির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,আমি এলাকার মানুষের পক্ষ থেকে তাকে ফোন করেছিলাম। কথোপকথনের সময় আবেগের বশে কিছু কথা বলে ফেলেছি। তাকে হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য আমার ছিল না।মধ্যনগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম ছয়ফুল বলেন, সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। দলিয়ো নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।এ ব্যাপারে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ জানান, কৃষক তালিকা নিয়ে আপত্তির লিখিত আবেদন আমরা পেয়েছি এবং বিতর্কিত নামগুলো পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তালিকায় আপত্তি জানানোকে কেন্দ্র করে কোনো সাংবাদিককে হুমকির বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে কৃষকের সহায়তার তালিকা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে । এলাকার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাম প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার তালিকা থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিককে, প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে ওয়ার্ড কমিটির যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম মিয়া।এলাকার কৃষকদের অভিযোগ দায়িত্ব প্রাপ্তরা তালিকায় স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি অনিয়ম করেছেন, এমন প্রতিবাদ উঠেছে এলাকা জুড়ে। ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ১ হাজার ৮৯০ জন কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করার একটি সরকারি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর পরেই এলাকা জুড়ে অনিয়মের ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পাশাপাশি মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় কৃষকরা। এনিয়ে গত বৃহস্পতিবার একপর্যায়ে সাদ্দাম মিয়া উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিক শিহাব মিয়াকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেয়। বিষয়টি এলাকায় নিন্দার তুফান উঠেছে।এবছর বৈশাখের ফসল মৌসুমে অতি বৃষ্টি হওয়ায়, হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রকাশিত তালিকায় আপত্তি জানানোকে কেন্দ্র করে এক স্থানীয় সাংবাদিক শিহাব মিয়াকে যুবদলের নেতা মোবাইল ফোনে হুমকি দেওয়ার কল রেকর্ড একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ভাইরাল হয়েছে । ভুক্তভোগী মো. শিহাব মিয়া জাতীয় দৈনিক ‘এদিন’ পত্রিকার মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।অভিযোগে জানা যায়,ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম মিয়া দলিয় রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে,তার পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমন সমালোচনা ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে যুবদল নেতা সাদ্দাম মিয়া,
আরও পড়ুন, আজ আবারও প্রকাশ্যে গণনা হবে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের টাকা
সাংবাদিক শিহাব মিয়া'র উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইল ফোনে সাংবাদিক শিহাবকে হুমকি দেন। এবং হুমকির ঘটনা পরক্ষনেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে। সাদ্দাম মিয়ার কল রেকর্ডের হুমকিতে বলে যে,এই বিষয়টি শেষ না করলে তোর সাথে ঝামেলা হবে, গ্রামে থাকতে হলে আমার সাথে দেখা হবে,তুই কতবড় সাংবাদিক আমি দেখে নিবো।এবিষয়ে সাংবাদিক শিহাব মিয়া জানান,আমি গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে অন্যায়ের বিপক্ষে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলি। এবং এলাকায় খুঁজ নিয়ে জানা গেছে,স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তালিকায় অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে। অনেক অকৃষকদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমন প্রতিবাদে বাদ পড়া প্রকৃত কৃষকরা অভিযোগ তুলেছেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত যুবদল নেতা সাদ্দাম মিয়া হুমকির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,আমি এলাকার মানুষের পক্ষ থেকে তাকে ফোন করেছিলাম। কথোপকথনের সময় আবেগের বশে কিছু কথা বলে ফেলেছি। তাকে হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য আমার ছিল না।মধ্যনগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম ছয়ফুল বলেন, সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। দলিয়ো নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।এ ব্যাপারে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ জানান, কৃষক তালিকা নিয়ে আপত্তির লিখিত আবেদন আমরা পেয়েছি এবং বিতর্কিত নামগুলো পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তালিকায় আপত্তি জানানোকে কেন্দ্র করে কোনো সাংবাদিককে হুমকির বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন