দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

কাঁদে নদী, কাঁদে মানুষ; বানভাসীদের কপালে শেষ নেই দুর্ভোগ

কাঁদে নদী, কাঁদে মানুষ; বানভাসীদের কপালে শেষ নেই দুর্ভোগ
কাঁদে নদী, কাঁদে মানুষ; বানভাসীদের কপালে শেষ নেই দুর্ভোগ

বিধি  যেখানে বাম হয় সেখানে  কারো  কিছু করার থাকে না। তাই  প্রকৃতিকে মেনে নিতে হয় মানুষকে। বর্ষাকালে বন্যার তাণ্ডব চলে, এ  বানের তান্ডবে  গত তিন দিনের মধ্যে  কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে  পানিতে  ডুবে পাঁচজন মারা গেছে বলে  জানাগেছে।  ভারি  বৃষ্টিপাত ও বন্যা অব্যাহত থাকায়  অতি বৃষ্টির  কারণে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসে  ঘটনা ঘটেছে। এতে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় অন্ত পক্ষে  ৩১  জন মারা গেছে বলে জানা যায় ।   গত তিন ধরে অব্যহত বন্যায় উপর হতে নেমে আসা   বানের পানি বিপদসীমা ছোঁই ছোঁই হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত  থাকলে  আবারো বিপসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারনা করা হয়েছে।    মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীতে ঢল নেমেছে।  এতে  দুই জেলায় অন্ততপক্ষে সাড়ে তিন লাখের মত মানুষ পানি বন্দী  হয়ে পড়েছেন।  ঘরের চাল জেগে আছে, তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। অসহায় বন্যায় কবলিত   মানুষের  দুর্গতি বেড়েই চলেছে।  সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।  অসহায় মানুষেরা বিপদ মাথায় নিয়ে কাল যাপন করছেন।

আরও  পড়ুন, গাজীপুরে শহীদ জিয়া গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট: টাইব্রেকারে বিকেএসপির শিরোপা জয়

 এখনো পর্যন্ত অনেকের হাতে ত্রান বলতে  কিছুই পৌঁছে নেই বলে জানা গেছে। তারা অর্ধহারে  অনাহারে কাল যাপন করছেন। শিশু আর বৃদ্ধদের  নিয়ে বেকায়াদায় রয়েছেন। খবার, সুপিয় পানি  ওষুধের সংকটে পড়েছে। অসুস্থ রোগীদেরকে হাসপাতলে নেওয়া মহাবিপদ হয়ে পড়েছে।  যেই দিকে  যায় সেদিকে পানি পা ফেলার কোন সুযোগ নেই। ঘর ছেড়ে   অনেককেই   নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে  যেতে পারেনি বলে জানা গেছে। ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।   অধিকাংশ মানুষের হাতে এখনো পর্যন্ত কোন ধরনের সাহায্য সহযোগীতা পৌছেনি  বলে অভিযোগ উঠেছে।। এদিকে সরকারে  তরফ হতে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের জন্য  কক্সবাজারে   ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে । দুর্গত মানুষের কপালে কি আছে জানা যাচ্ছে না। অপ্রত্যুল্য ত্রানের,  বানবাসীর কপালে  দুর্ভোগ ও  দুর্গতির কোন শেষ নেই,  কাঁদে মানুষ, কাঁদে নদী।  এই অঞ্চলের মানুষের   দুর্ভোগ নিত্য সঙ্গী । লড়াই করে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।  নেই খাবার,নেই সুপিয় পানি, নেই ওষুধ, নেই চিকিৎসা,  এর মাঝে  অধিকাংশ বানবাসির হাতে   ত্রাণ পৌঁছাতে পারনি বলে স্থানীয়রা জানান ।  কবি সুকান্তের কবিতার লাইন থেকে  প্রসঙ্গে বলতে হচ্ছে    ক্ষুধার রাজ্যে গদ্যময় পূর্ণিমা চাঁদ যেন জলসা রুটি, কবিতা তোমাই দিলাম ছুটি।

বিষয় : দুর্ভোগ কাঁদে মানুষ; বন্যার তাণ্ডব

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


কাঁদে নদী, কাঁদে মানুষ; বানভাসীদের কপালে শেষ নেই দুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

বিধি  যেখানে বাম হয় সেখানে  কারো  কিছু করার থাকে না। তাই  প্রকৃতিকে মেনে নিতে হয় মানুষকে। বর্ষাকালে বন্যার তাণ্ডব চলে, এ  বানের তান্ডবে  গত তিন দিনের মধ্যে  কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে  পানিতে  ডুবে পাঁচজন মারা গেছে বলে  জানাগেছে।  ভারি  বৃষ্টিপাত ও বন্যা অব্যাহত থাকায়  অতি বৃষ্টির  কারণে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসে  ঘটনা ঘটেছে। এতে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় অন্ত পক্ষে  ৩১  জন মারা গেছে বলে জানা যায় ।   গত তিন ধরে অব্যহত বন্যায় উপর হতে নেমে আসা   বানের পানি বিপদসীমা ছোঁই ছোঁই হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত  থাকলে  আবারো বিপসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারনা করা হয়েছে।    মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীতে ঢল নেমেছে।  এতে  দুই জেলায় অন্ততপক্ষে সাড়ে তিন লাখের মত মানুষ পানি বন্দী  হয়ে পড়েছেন।  ঘরের চাল জেগে আছে, তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। অসহায় বন্যায় কবলিত   মানুষের  দুর্গতি বেড়েই চলেছে।  সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।  অসহায় মানুষেরা বিপদ মাথায় নিয়ে কাল যাপন করছেন।

আরও  পড়ুন, গাজীপুরে শহীদ জিয়া গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট: টাইব্রেকারে বিকেএসপির শিরোপা জয়

 এখনো পর্যন্ত অনেকের হাতে ত্রান বলতে  কিছুই পৌঁছে নেই বলে জানা গেছে। তারা অর্ধহারে  অনাহারে কাল যাপন করছেন। শিশু আর বৃদ্ধদের  নিয়ে বেকায়াদায় রয়েছেন। খবার, সুপিয় পানি  ওষুধের সংকটে পড়েছে। অসুস্থ রোগীদেরকে হাসপাতলে নেওয়া মহাবিপদ হয়ে পড়েছে।  যেই দিকে  যায় সেদিকে পানি পা ফেলার কোন সুযোগ নেই। ঘর ছেড়ে   অনেককেই   নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে  যেতে পারেনি বলে জানা গেছে। ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।   অধিকাংশ মানুষের হাতে এখনো পর্যন্ত কোন ধরনের সাহায্য সহযোগীতা পৌছেনি  বলে অভিযোগ উঠেছে।। এদিকে সরকারে  তরফ হতে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের জন্য  কক্সবাজারে   ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে । দুর্গত মানুষের কপালে কি আছে জানা যাচ্ছে না। অপ্রত্যুল্য ত্রানের,  বানবাসীর কপালে  দুর্ভোগ ও  দুর্গতির কোন শেষ নেই,  কাঁদে মানুষ, কাঁদে নদী।  এই অঞ্চলের মানুষের   দুর্ভোগ নিত্য সঙ্গী । লড়াই করে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।  নেই খাবার,নেই সুপিয় পানি, নেই ওষুধ, নেই চিকিৎসা,  এর মাঝে  অধিকাংশ বানবাসির হাতে   ত্রাণ পৌঁছাতে পারনি বলে স্থানীয়রা জানান ।  কবি সুকান্তের কবিতার লাইন থেকে  প্রসঙ্গে বলতে হচ্ছে    ক্ষুধার রাজ্যে গদ্যময় পূর্ণিমা চাঁদ যেন জলসা রুটি, কবিতা তোমাই দিলাম ছুটি।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত