রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ, টেকসই ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।বুধবার জাতীয় সংসদে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ।তিনি বলেন, অতীতেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সফল কূটনৈতিক উদ্যোগে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হয়েছিল। বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতায় টেকসই সমাধানের পথ অনুসরণ করছে।
আরো পড়ুন , মাদকমুক্তমাজ গঠনে ফুলবাড়ীয়ায় প্রশাসনের অভিযান, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক মানবিক ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে জাতিসংঘ, দাতা সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছে এবং মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই, সম্ভাব্য পুনর্বাসন এবং কূটনৈতিক যোগাযোগও চলমান রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি জটিল আন্তর্জাতিক বিষয়। এর সফল সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকার, সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সরকারের প্রত্যাশা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনের পথ আরও সুগম হবে।
বিষয় : রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ, টেকসই

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ, টেকসই ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।বুধবার জাতীয় সংসদে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ।তিনি বলেন, অতীতেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সফল কূটনৈতিক উদ্যোগে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হয়েছিল। বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতায় টেকসই সমাধানের পথ অনুসরণ করছে।
আরো পড়ুন , মাদকমুক্তমাজ গঠনে ফুলবাড়ীয়ায় প্রশাসনের অভিযান, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক মানবিক ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে জাতিসংঘ, দাতা সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছে এবং মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই, সম্ভাব্য পুনর্বাসন এবং কূটনৈতিক যোগাযোগও চলমান রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি জটিল আন্তর্জাতিক বিষয়। এর সফল সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকার, সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সরকারের প্রত্যাশা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনের পথ আরও সুগম হবে।

আপনার মতামত লিখুন