সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের হরিপুর নওয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবনটি উদ্বোধনের এক বছরের মাথায়েই ধ্বংসে গেছে ফ্লোরের ঢালাই। বিদ্যালয়ের নীচের তলার একটি শ্রেনী কক্ষের ফ্লোর ভেঙে নীচে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ভবনের অনেকাংশেই ফাটল ধরেছে, বর্তমানে ভাঙ্গা শ্রেনী কক্ষটি অরক্ষিত অবস্থায় তালাবদ্ধ রয়েছে।গত ২০২৪ সালে আলমগীর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তিনতলা ভবনের কাজ শুরু করেন। এবং ২০২৫ সালের ফ্রেরুয়ারী মাসে এ-ই তিনতলা ভবনটি উদ্বোধন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে ভবনের কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হয়, যার ফলে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। একবছর যেতে না যেতেই ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল এবং ভাঙনের সৃষ্টি হয়।এতে এলাকার কোমল মতি ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবকদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। সৃষ্টি হয়েছে এলাকাবাসীর ভবন নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ। কোমল মতি শিশু শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠদানে অংশ নিতে হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে ।এবিষয়টি এলাকাবাসী দাবি জানাচ্ছেন যে, সরকারের কতৃপক্ষের নজরে নিয়ে বিদ্যালয়ের ভবন পূর্ণনির্মাণ করার জন্য।
আরও পড়ুন, ‘দালালের অনুমতি ছাড়া দলিল এগোয় না’ সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে ক্ষোভ
এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখারও দাবি জানাচ্ছেন এলাকার সচেতন মহল।এলাকাবাসী অভিযোগ তুলেছে যে, সংশ্লিষ্টদের এলজিডি কতৃপক্ষের যোগসাজশে আলমগীর এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। এবং ভবনের কাজ খুবই দুর্ভল হয়েছে, এছাড়াও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যগণের সাথে ঠিকাদার সংশ্লিষ্টরা গোপনে আঁতাত করারও অভিযোগ রয়েছে। পরে ভবন নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতি কায়েম করার সুযোগ নেয় ঠিকাদার।তাছাড়া এলাকার রিপন সরকার সহ অনেকেই অভিযোগ তুলে গণমাধ্যম জানান,নির্মাণ কাজ চলাকালে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার সময়,এলাকার লোকজন নিম্নমানের কাজ না করার জন্য বাধা নিষেধ করেন। এবং ঠিকাদারের লোকজন বাধা নিষেধ উপেক্ষা করেই কাজ করেন। পরে অনিয়ম দুর্নীতি ঠেকাতে এলাকার লোকজন উপজেলা অফিসার ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের বিষয়টি,সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগটি ধামাচাপা দিয়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।এবিষয়ে উপজেলা এলজিডি ইঞ্জিনিয়ার শাহাবুদ্দিন বলেন, ভবনের ফ্লোর ধ্বংসের ঘটনার খবর পেয়েছি, অতি দ্রুত ভবনের মেরামতের কাজের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিষয় : উদ্বোধন মরণফাঁদ বিদ্যালয় ভবন

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের হরিপুর নওয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবনটি উদ্বোধনের এক বছরের মাথায়েই ধ্বংসে গেছে ফ্লোরের ঢালাই। বিদ্যালয়ের নীচের তলার একটি শ্রেনী কক্ষের ফ্লোর ভেঙে নীচে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ভবনের অনেকাংশেই ফাটল ধরেছে, বর্তমানে ভাঙ্গা শ্রেনী কক্ষটি অরক্ষিত অবস্থায় তালাবদ্ধ রয়েছে।গত ২০২৪ সালে আলমগীর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তিনতলা ভবনের কাজ শুরু করেন। এবং ২০২৫ সালের ফ্রেরুয়ারী মাসে এ-ই তিনতলা ভবনটি উদ্বোধন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে ভবনের কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হয়, যার ফলে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। একবছর যেতে না যেতেই ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল এবং ভাঙনের সৃষ্টি হয়।এতে এলাকার কোমল মতি ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবকদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। সৃষ্টি হয়েছে এলাকাবাসীর ভবন নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ। কোমল মতি শিশু শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠদানে অংশ নিতে হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে ।এবিষয়টি এলাকাবাসী দাবি জানাচ্ছেন যে, সরকারের কতৃপক্ষের নজরে নিয়ে বিদ্যালয়ের ভবন পূর্ণনির্মাণ করার জন্য।
আরও পড়ুন, ‘দালালের অনুমতি ছাড়া দলিল এগোয় না’ সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে ক্ষোভ
এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখারও দাবি জানাচ্ছেন এলাকার সচেতন মহল।এলাকাবাসী অভিযোগ তুলেছে যে, সংশ্লিষ্টদের এলজিডি কতৃপক্ষের যোগসাজশে আলমগীর এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। এবং ভবনের কাজ খুবই দুর্ভল হয়েছে, এছাড়াও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যগণের সাথে ঠিকাদার সংশ্লিষ্টরা গোপনে আঁতাত করারও অভিযোগ রয়েছে। পরে ভবন নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতি কায়েম করার সুযোগ নেয় ঠিকাদার।তাছাড়া এলাকার রিপন সরকার সহ অনেকেই অভিযোগ তুলে গণমাধ্যম জানান,নির্মাণ কাজ চলাকালে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার সময়,এলাকার লোকজন নিম্নমানের কাজ না করার জন্য বাধা নিষেধ করেন। এবং ঠিকাদারের লোকজন বাধা নিষেধ উপেক্ষা করেই কাজ করেন। পরে অনিয়ম দুর্নীতি ঠেকাতে এলাকার লোকজন উপজেলা অফিসার ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের বিষয়টি,সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগটি ধামাচাপা দিয়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।এবিষয়ে উপজেলা এলজিডি ইঞ্জিনিয়ার শাহাবুদ্দিন বলেন, ভবনের ফ্লোর ধ্বংসের ঘটনার খবর পেয়েছি, অতি দ্রুত ভবনের মেরামতের কাজের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন