দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার যুবকদের লক্ষ্য করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'অতিথি ডটকম'-এর মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। একটি অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, 'স্মার্ট হোটেল ও রিসোর্ট বুকিং' প্রকল্পের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সিলেট ও সাজেকের বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্টের সঙ্গে চুক্তির কথা বলে এজেন্ট নিয়োগ করছে। তাদের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, পর্যটন মৌসুমে লাভের অংশ দেওয়া হবে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতির কোনো কার্যকর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত সাইফুল ইসলাম সোহেল অতীতে ডেসটিনি এবং নোভেরা প্রডাক্টসের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণা ও অন্য মামলায় গ্রেফতারের তথ্যও উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ডিজিটাল ট্রেডিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ই-কমার্সের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাসহ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তির নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার আনুষ্ঠানিক অবস্থানও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
বিষয় : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যুবকদের লক্ষ্য

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার যুবকদের লক্ষ্য করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'অতিথি ডটকম'-এর মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। একটি অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, 'স্মার্ট হোটেল ও রিসোর্ট বুকিং' প্রকল্পের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সিলেট ও সাজেকের বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্টের সঙ্গে চুক্তির কথা বলে এজেন্ট নিয়োগ করছে। তাদের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, পর্যটন মৌসুমে লাভের অংশ দেওয়া হবে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতির কোনো কার্যকর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত সাইফুল ইসলাম সোহেল অতীতে ডেসটিনি এবং নোভেরা প্রডাক্টসের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণা ও অন্য মামলায় গ্রেফতারের তথ্যও উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ডিজিটাল ট্রেডিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ই-কমার্সের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাসহ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তির নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার আনুষ্ঠানিক অবস্থানও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন