জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে র্যালি, বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।কর্মসূচির শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিদ্যালয়সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনের বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন।র্যালি শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতীকীভাবে একটি ফলদ, একটি বনজ এবং একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টি এবং গাছ লাগানোর সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। তারা বলেন, একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্বন শোষণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এরপর জাতীয় পর্যায়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিদ্যালয়ে বড় পর্দায় সরাসরি উপভোগ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য জনাব আবদুল মান্নান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জানে আলম, সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মীর মোহাম্মদ আবদুল মোনএম,
আরও পড়ুন , কোনাবাড়িতে বিএনপির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন
সিনিয়র শিক্ষক জনাব মো. মেছবাহুল হক, জনাব কাঞ্চন কান্তি মহাজন, জনাব সৈয়দ মোহাম্মদ খালেদ, জনাব সীমা ভট্টাচার্য, জনাব রফরফের নুর ছিদ্দিকা, জনাব এস. এম. বোরহান উদ্দীন, জনাব শিপ্রা চৌধুরী, জনাব সুমাইয়া আকতার জাহান, জনাব মোহাম্মদ যাহিদুল ইসলাম, জনাব মো. শাহিদসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক অভিভাবক।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জানে আলম বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাও বিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই বাস্তবতায় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিবেশবিষয়ক কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ এবং সবুজায়ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শুধু পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করবে না, বরং সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠিতে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, একটি গাছ রোপণ করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেটির পরিচর্যা করাও সমান জরুরি। ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ সব পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। কর্মসূচির শেষে পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন উপস্থিত সবাই।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে র্যালি, বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।কর্মসূচির শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিদ্যালয়সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনের বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন।র্যালি শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতীকীভাবে একটি ফলদ, একটি বনজ এবং একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টি এবং গাছ লাগানোর সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। তারা বলেন, একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্বন শোষণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এরপর জাতীয় পর্যায়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিদ্যালয়ে বড় পর্দায় সরাসরি উপভোগ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য জনাব আবদুল মান্নান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জানে আলম, সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মীর মোহাম্মদ আবদুল মোনএম,
আরও পড়ুন , কোনাবাড়িতে বিএনপির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন
সিনিয়র শিক্ষক জনাব মো. মেছবাহুল হক, জনাব কাঞ্চন কান্তি মহাজন, জনাব সৈয়দ মোহাম্মদ খালেদ, জনাব সীমা ভট্টাচার্য, জনাব রফরফের নুর ছিদ্দিকা, জনাব এস. এম. বোরহান উদ্দীন, জনাব শিপ্রা চৌধুরী, জনাব সুমাইয়া আকতার জাহান, জনাব মোহাম্মদ যাহিদুল ইসলাম, জনাব মো. শাহিদসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক অভিভাবক।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জানে আলম বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাও বিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই বাস্তবতায় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিবেশবিষয়ক কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ এবং সবুজায়ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শুধু পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করবে না, বরং সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠিতে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, একটি গাছ রোপণ করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেটির পরিচর্যা করাও সমান জরুরি। ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ সব পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। কর্মসূচির শেষে পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন উপস্থিত সবাই।

আপনার মতামত লিখুন