কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।বুধবার (২৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম।তিনি জানান, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি নিজেকে যুবদলের নেতা বলে দাবি করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ফেসবুক ও ইউটিউবের বিভিন্ন কনটেন্টে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব ভিডিওতে তার দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করা হয়। এছাড়া একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলাম
এদিকে মামলাটি ঘিরে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতারা।কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন, জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার যুবদলের নেতা নন। তিনি পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অন্যদিকে, কুমিল্লা মহানগর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন দাবি করেন, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিষয়টি তারা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন।বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার বলেন, তার নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় তিনি মামলা করেছেন।সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সদর দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, যে কেউ আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করতে পারেন। অভিযোগ যাচাই করেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।
বিষয় : মামলা ফয়জুল করিম উসকানিমূলক

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।বুধবার (২৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম।তিনি জানান, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি নিজেকে যুবদলের নেতা বলে দাবি করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ফেসবুক ও ইউটিউবের বিভিন্ন কনটেন্টে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব ভিডিওতে তার দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করা হয়। এছাড়া একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলাম
এদিকে মামলাটি ঘিরে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতারা।কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন, জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার যুবদলের নেতা নন। তিনি পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অন্যদিকে, কুমিল্লা মহানগর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন দাবি করেন, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিষয়টি তারা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন।বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার বলেন, তার নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় তিনি মামলা করেছেন।সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সদর দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, যে কেউ আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করতে পারেন। অভিযোগ যাচাই করেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন