গাজীপুর মহানগরের বাসন থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে হারুন অর রশিদ যোগদানের পর থেকেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেছে। মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, চোর, ডাকাত ও বিভিন্ন অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ফলে অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, ওসি হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে বাসন থানা পুলিশ এখন অপরাধ দমনে অনেক বেশি সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।সম্প্রতি বাসন থানা ও জিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে মাদক, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি প্রস্তুতি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ জানায়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে অপরাধীদের চলাফেরা ও তৎপরতা অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে।
আরও পড়ুন, প্যানেল চেয়ারম্যান খাদিজাকে ঘিরে জনমনে কৌতূহল, বাড়ছে নানা আলোচনা
বিশেষ করে মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে কিছু এলাকায় ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। রাতের বেলা টহল জোরদার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।এ বিষয়ে বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী কিংবা ছিনতাইকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ওসি হারুন অর রশিদের দৃঢ় অবস্থান এবং পেশাদার নেতৃত্ব ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অপরাধ দমনে তার কঠোর মনোভাবের কারণে বর্তমানে বাসন থানার এলাকায় ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন
বিষয় : আইনশৃঙ্খলা ছিনতাইকারী মাদক কারবারি

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের বাসন থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে হারুন অর রশিদ যোগদানের পর থেকেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেছে। মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, চোর, ডাকাত ও বিভিন্ন অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ফলে অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, ওসি হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে বাসন থানা পুলিশ এখন অপরাধ দমনে অনেক বেশি সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।সম্প্রতি বাসন থানা ও জিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে মাদক, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি প্রস্তুতি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ জানায়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে অপরাধীদের চলাফেরা ও তৎপরতা অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে।
আরও পড়ুন, প্যানেল চেয়ারম্যান খাদিজাকে ঘিরে জনমনে কৌতূহল, বাড়ছে নানা আলোচনা
বিশেষ করে মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে কিছু এলাকায় ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। রাতের বেলা টহল জোরদার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।এ বিষয়ে বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী কিংবা ছিনতাইকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ওসি হারুন অর রশিদের দৃঢ় অবস্থান এবং পেশাদার নেতৃত্ব ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অপরাধ দমনে তার কঠোর মনোভাবের কারণে বর্তমানে বাসন থানার এলাকায় ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন

আপনার মতামত লিখুন