বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সার্টিফিকেট অর্জনই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।শনিবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট ছিল না, কিন্তু তাঁদের জ্ঞানের ভাণ্ডার ছিল সমৃদ্ধ। প্রকৃত শিক্ষা হলো সেই শিক্ষা, যা মানুষ ও দেশের কল্যাণে আসে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তিগত জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষা এমন হওয়া উচিত, যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।অনুষ্ঠানে শিক্ষা
আরো পড়ুন , ‘৫০১ ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ’ রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশের হার বাড়ানোর প্রবণতার কারণে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি বড় অংশ জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফলের প্রতিযোগিতায় বেশি মনোযোগী। ফলে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং বাস্তব দক্ষতা অর্জনের বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : বিএনপির বক্তব্যে স্থায়ী কমিটির বক্তব্যে

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সার্টিফিকেট অর্জনই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।শনিবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট ছিল না, কিন্তু তাঁদের জ্ঞানের ভাণ্ডার ছিল সমৃদ্ধ। প্রকৃত শিক্ষা হলো সেই শিক্ষা, যা মানুষ ও দেশের কল্যাণে আসে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তিগত জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষা এমন হওয়া উচিত, যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।অনুষ্ঠানে শিক্ষা
আরো পড়ুন , ‘৫০১ ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ’ রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশের হার বাড়ানোর প্রবণতার কারণে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি বড় অংশ জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফলের প্রতিযোগিতায় বেশি মনোযোগী। ফলে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং বাস্তব দক্ষতা অর্জনের বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন