রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা বহুল আলোচিত মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় দেবেন।রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। গত ৪ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজকের দিনটি রায়ের জন্য নির্ধারণ করেন।রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু আদালতে বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।
আরও পড়ুন, ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, সতর্ক আবহাওয়া অফিস
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায় অভিযুক্ত স্বপ্না। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা-মা আসামিদের কক্ষের সামনে জুতা দেখতে পান। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেন।ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্নাকে ঘটনাস্থল থেকে এবং প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোহেল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।এখন সবার নজর আদালতের দিকে—নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কী রায় আসে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
আরও পড়ুন, জামালপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আকস্মিক ভিসি পরিবর্তন, শুরু আলোচনা
বিষয় : প্রত্যাশা মৃত্যুদণ্ড রামিসা হত্যা

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা বহুল আলোচিত মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় দেবেন।রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। গত ৪ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজকের দিনটি রায়ের জন্য নির্ধারণ করেন।রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু আদালতে বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।
আরও পড়ুন, ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, সতর্ক আবহাওয়া অফিস
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায় অভিযুক্ত স্বপ্না। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা-মা আসামিদের কক্ষের সামনে জুতা দেখতে পান। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেন।ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্নাকে ঘটনাস্থল থেকে এবং প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোহেল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।এখন সবার নজর আদালতের দিকে—নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কী রায় আসে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
আরও পড়ুন, জামালপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আকস্মিক ভিসি পরিবর্তন, শুরু আলোচনা

আপনার মতামত লিখুন