পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির পশুর বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে খুলনা মহানগরী। কোরবানির ঈদে বর্জ্য অপসারণে এবার বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন বা কেসিসি। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ১০টার মধ্যেই নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি করেছে কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখা।
আরও পড়ুন, ভারতে ১৭ মাস কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৩৬ বাংলাদেশি যুবক
খুলনা সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানায়, দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণে কাজ করেন ৭৭২ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এ কাজে ব্যবহার করা হয় ৮২টি যানবাহন। এদিকে অনেকের মতে, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা ঈদ উপহার কাজে বাড়তি উৎসাহ জুগিয়েছে। নগরবাসীও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন, ফাঁকা সরকে বেপরোয়া গতির বলি দুই শিক্ষার্থী
নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা খালিদ হোসেন বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবার কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ‘সুপার সার্ভিস’ দিয়েছে। তিনি এ সফলতার পেছনে প্রশাসনের আন্তরিকতাকেও কৃতিত্ব দেন। কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম জানান, রাতের মধ্যেই নগরীর কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নগরজুড়ে ৪০০ লিটার স্যাভলন ও ৪ টন ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বগুড়া শহরে কোরবানির মাংসের অস্থায়ী হাট, কেজিপ্রতি ৭৮০–৮০০ টাকা
তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকাল থেকে ৩১টি ওয়ার্ডে ৬০০ ভ্যানের মাধ্যমে অলিগলি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে সেকেন্ডারি পয়েন্টে আনা হচ্ছে। পরে ট্রাকে করে সেগুলো রাজবাঁধ ডাম্পিং পয়েন্টে নেওয়া হচ্ছে। তবে ঈদের দ্বিতীয় দিনে যারা কোরবানি দিয়েছেন, তাদের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির পশুর বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে খুলনা মহানগরী। কোরবানির ঈদে বর্জ্য অপসারণে এবার বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন বা কেসিসি। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ১০টার মধ্যেই নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি করেছে কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখা।
আরও পড়ুন, ভারতে ১৭ মাস কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৩৬ বাংলাদেশি যুবক
খুলনা সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানায়, দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণে কাজ করেন ৭৭২ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এ কাজে ব্যবহার করা হয় ৮২টি যানবাহন। এদিকে অনেকের মতে, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা ঈদ উপহার কাজে বাড়তি উৎসাহ জুগিয়েছে। নগরবাসীও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন, ফাঁকা সরকে বেপরোয়া গতির বলি দুই শিক্ষার্থী
নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা খালিদ হোসেন বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবার কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ‘সুপার সার্ভিস’ দিয়েছে। তিনি এ সফলতার পেছনে প্রশাসনের আন্তরিকতাকেও কৃতিত্ব দেন। কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম জানান, রাতের মধ্যেই নগরীর কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নগরজুড়ে ৪০০ লিটার স্যাভলন ও ৪ টন ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বগুড়া শহরে কোরবানির মাংসের অস্থায়ী হাট, কেজিপ্রতি ৭৮০–৮০০ টাকা
তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকাল থেকে ৩১টি ওয়ার্ডে ৬০০ ভ্যানের মাধ্যমে অলিগলি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে সেকেন্ডারি পয়েন্টে আনা হচ্ছে। পরে ট্রাকে করে সেগুলো রাজবাঁধ ডাম্পিং পয়েন্টে নেওয়া হচ্ছে। তবে ঈদের দ্বিতীয় দিনে যারা কোরবানি দিয়েছেন, তাদের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন