দেশজুড়ে আবারও ভয়াবহ আকার নিচ্ছে সংক্রামক রোগ হাম (Measles)। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬১ জনে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ মে পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ৫৪০ জনে পৌঁছেছে।একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন, আর মোট নিশ্চিত রোগী ৮ হাজার ৩২৯ জন। এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১১ জন রোগী, যাদের মধ্যে সুস্থ
আরো পড়ুন , ঈদুল আজহায় পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে স্পেশাল ট্রেন ও অতিরিক্ত কোচ যুক্ত
হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪১১ জন।মৃত্যুর পরিসংখ্যানও উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহভাজন হামে ৯ জন এবং নিশ্চিত হামে ২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে ২২ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত মিলিয়ে মোট ৪৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কাভারেজ কমে যাওয়া, জনসমাগম এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদারের কথা জানিয়েছে।
বিষয় : দেশজুড়ে আবারও ভয়াবহ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
দেশজুড়ে আবারও ভয়াবহ আকার নিচ্ছে সংক্রামক রোগ হাম (Measles)। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬১ জনে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ মে পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ৫৪০ জনে পৌঁছেছে।একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন, আর মোট নিশ্চিত রোগী ৮ হাজার ৩২৯ জন। এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১১ জন রোগী, যাদের মধ্যে সুস্থ
আরো পড়ুন , ঈদুল আজহায় পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে স্পেশাল ট্রেন ও অতিরিক্ত কোচ যুক্ত
হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪১১ জন।মৃত্যুর পরিসংখ্যানও উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহভাজন হামে ৯ জন এবং নিশ্চিত হামে ২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে ২২ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত মিলিয়ে মোট ৪৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কাভারেজ কমে যাওয়া, জনসমাগম এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে।এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদারের কথা জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন