চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে ঐতিহাসিক স্বর্গের মন্দিরপরিদর্শন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংএর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটি ঘুরে দেখেন।প্রায় ৬০০ বছর পুরোনো এই স্থাপনাটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। মিং রাজবংশের আমলে ১৪২০ সালে নির্মিত এই মন্দির একসময় চীনা সম্রাটদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ভালো ফসলের প্রার্থনার কেন্দ্র ছিল।বেইজিংয়ের বিখ্যাতনিষিদ্ধ নগরী-এর সমসাময়িক এই স্থাপনাটি চীনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এর আগে ২০১৭ সালের
আরো পড়ুন , হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী
রাষ্ট্রীয় সফরেও ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলেন ট্রাম্প।মন্দিরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপে ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা ছিল ‘দারুণ’। তবে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—সেই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান তিনি।সফরসূচি অনুযায়ী, টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন শেষে ট্রাম্প হোটেলে ফিরে যাবেন। পরে সন্ধ্যায় তিনি আবার জনগণের মহান হল-এ যাবেন। সেখানে তার সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর কেবল কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়, বরং চীন-মার্কিন সাংস্কৃতিক যোগাযোগের প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
বিষয় : চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে মন্দিরপরিদর্শন

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে ঐতিহাসিক স্বর্গের মন্দিরপরিদর্শন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংএর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটি ঘুরে দেখেন।প্রায় ৬০০ বছর পুরোনো এই স্থাপনাটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। মিং রাজবংশের আমলে ১৪২০ সালে নির্মিত এই মন্দির একসময় চীনা সম্রাটদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ভালো ফসলের প্রার্থনার কেন্দ্র ছিল।বেইজিংয়ের বিখ্যাতনিষিদ্ধ নগরী-এর সমসাময়িক এই স্থাপনাটি চীনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এর আগে ২০১৭ সালের
আরো পড়ুন , হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী
রাষ্ট্রীয় সফরেও ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলেন ট্রাম্প।মন্দিরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপে ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা ছিল ‘দারুণ’। তবে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—সেই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান তিনি।সফরসূচি অনুযায়ী, টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন শেষে ট্রাম্প হোটেলে ফিরে যাবেন। পরে সন্ধ্যায় তিনি আবার জনগণের মহান হল-এ যাবেন। সেখানে তার সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর কেবল কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়, বরং চীন-মার্কিন সাংস্কৃতিক যোগাযোগের প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

আপনার মতামত লিখুন