দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ১০ মে ২০২৬

পুরোনো সেচ ব্যবস্থাতেও সাফল্য, চাঁদপুরে বোরো ধানের ভালো ফলন

পুরোনো সেচ ব্যবস্থাতেও সাফল্য, চাঁদপুরে বোরো ধানের ভালো ফলন
পুরোনো পাম্পে জোড়া তালি দিয়ে চলছে দুটি বড় সেচ প্রকল্প

চাঁদপুরে ৪৫ বছরের পুরোনো পাম্পে জোড়া তালি দিয়ে চলছে দুটি বড় সেচ প্রকল্প। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এ বছর বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষক ও কৃষি বিভাগ।জেলায় ‘চাঁদপুর সেচ প্রকল্প’ এবং ‘মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প’ মিলিয়ে মোট ১৬ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।কৃষকরা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু ক্ষতি হলেও সঠিক সময়ে পানি পাওয়ায় উৎপাদনে তারা সন্তুষ্ট।ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তর উপজেলার কৃষকরা বলছেন, এ বছর সেচ সুবিধা তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল, 

আরও  পড়ুন , চার মাসের মাথায় ফের বিচ্ছেদ আবু ত্বহা আদনান-সাবিকুন্নাহার দম্পতির

ফলে ফলনও ভালো হয়েছে। তবে শেষ পর্যায়ে কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় আংশিক ক্ষতি হয়েছে।কৃষি কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে কিছু সেচ সংকট থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কৃষকরা সময়মতো পানি পেয়েছেন।ফরিদগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, শুধু চাঁদপুর সেচ প্রকল্পেই প্রায় ৪৪ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ৪৫ বছরের পুরোনো পাম্প দিয়েই সেচ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যা নিয়মিত মেরামত করে সচল রাখা হচ্ছে।কৃষি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এ বছর বোরো মৌসুমে কৃষকরা তুলনামূলক ভালো ফলন পেয়েছেন।

বিষয় : সীমাবদ্ধতা সেচ প্রকল্প পুরোনো

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পুরোনো সেচ ব্যবস্থাতেও সাফল্য, চাঁদপুরে বোরো ধানের ভালো ফলন

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরে ৪৫ বছরের পুরোনো পাম্পে জোড়া তালি দিয়ে চলছে দুটি বড় সেচ প্রকল্প। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এ বছর বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষক ও কৃষি বিভাগ।জেলায় ‘চাঁদপুর সেচ প্রকল্প’ এবং ‘মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প’ মিলিয়ে মোট ১৬ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।কৃষকরা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু ক্ষতি হলেও সঠিক সময়ে পানি পাওয়ায় উৎপাদনে তারা সন্তুষ্ট।ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তর উপজেলার কৃষকরা বলছেন, এ বছর সেচ সুবিধা তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল, 

আরও  পড়ুন , চার মাসের মাথায় ফের বিচ্ছেদ আবু ত্বহা আদনান-সাবিকুন্নাহার দম্পতির

ফলে ফলনও ভালো হয়েছে। তবে শেষ পর্যায়ে কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় আংশিক ক্ষতি হয়েছে।কৃষি কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে কিছু সেচ সংকট থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কৃষকরা সময়মতো পানি পেয়েছেন।ফরিদগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, শুধু চাঁদপুর সেচ প্রকল্পেই প্রায় ৪৪ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ৪৫ বছরের পুরোনো পাম্প দিয়েই সেচ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যা নিয়মিত মেরামত করে সচল রাখা হচ্ছে।কৃষি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এ বছর বোরো মৌসুমে কৃষকরা তুলনামূলক ভালো ফলন পেয়েছেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত