যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যার শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি’র মরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার লাশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে মরদেহটি এমিরেটস এয়ারলাইন্সে ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। দুবাই ট্রানজিট শেষে সেটি ঢাকায় পৌঁছে।
আরও পড়ুন , স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগে একই ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে আনা হয়।উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী—নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমন নিখোঁজ হন।পরবর্তীতে তদন্তে তাদের একজন সহপাঠীকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে একটি ব্রিজের কাছে থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ঘটনাটি নিয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বিষয় : মরদেহ শিক্ষার্থী নৃশংস হত্যা

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যার শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি’র মরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার লাশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে মরদেহটি এমিরেটস এয়ারলাইন্সে ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। দুবাই ট্রানজিট শেষে সেটি ঢাকায় পৌঁছে।
আরও পড়ুন , স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগে একই ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে আনা হয়।উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী—নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমন নিখোঁজ হন।পরবর্তীতে তদন্তে তাদের একজন সহপাঠীকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে একটি ব্রিজের কাছে থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ঘটনাটি নিয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন