দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

প্রান্তিক মানুষের বিচারপ্রাপ্তিতে গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করছে সরকার

প্রান্তিক মানুষের বিচারপ্রাপ্তিতে গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করছে সরকার
বিচারপ্রাপ্তিতে গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করছে সরকার

দেশের উচ্চ আদালতগুলোতে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা বিপুলসংখ্যক মামলার চাপ কমিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা পৌঁছে দিতে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ জোরদার করেছে সরকার। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আদালতমুখী মামলার সংখ্যা কমানো, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকেই এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রশাসনিক তদারকি, জনপ্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিট পুলিশের সম্পৃক্ততা, পৃথক বাজেট কোড প্রবর্তন এবং সরকারি কর্মসম্পাদন মূল্যায়নের সঙ্গে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।শনিবার (৪ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় প্রকল্প পরিচালক সুরাইয়া আখতার জাহান। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। 

আরও  পড়ুন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালতের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

সভা পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান।প্রধান অতিথি সুরাইয়া আখতার জাহান বলেন, গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য শুধু বিরোধ নিষ্পত্তি নয়; বরং সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক বিশ্বাস এবং স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। ভাইয়ে-ভাইয়ে, আত্মীয়স্বজন কিংবা প্রতিবেশীদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ দ্রুত স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি হলে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বিরোধ, মামলা ও সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতকে স্থায়ী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মাঠপর্যায়ে বিট পুলিশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে গ্রাম আদালতের জন্য পৃথক বাজেট কোড চালু, সরকারি কর্মসম্পাদন মূল্যায়নে এর কার্যকারিতা অন্তর্ভুক্ত এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, নারী, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে গ্রাম আদালতের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। তাই বিচারিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনও গ্রাম আদালত সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতনতা তৈরি হয়নি। অনেকেই ছোটখাটো বিরোধ নিয়েও সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হন। অথচ ইউনিয়ন পর্যায়ে এসব বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও  পড়ুন, চার মাস পর আবার চালু সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট

তিনি বলেন, উচ্চ আদালতের মামলার চাপ কমাতে সরকার গ্রাম আদালতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য ইউনিয়ন পরিষদে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, বিচারবান্ধব পরিবেশ এবং দক্ষ জনবল নিশ্চিত করতে হবে। বিচারকার্য পরিচালনাকারীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিচিতি বা পোশাক চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি উচ্চ আদালতে মামলা যাওয়ার আগে উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালুরও প্রস্তাব দেন তিনি।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রান্তিক মানুষের দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে মানুষের আস্থা তৈরি করা গেলে ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয়ভাবেই নিষ্পত্তি হবে এবং আদালতের ওপর চাপও কমবে।তিনি বলেন, উন্নত রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠাননির্ভর প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থা গড়ে তুলতে গ্রাম আদালত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।সভায় বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত কার্যকর হলে শুধু মামলার সংখ্যা কমবে না; বরং পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা-সংক্রান্ত ছোটখাটো দ্বন্দ্ব, প্রতিবেশী বিরোধ এবং স্থানীয় সামাজিক সংঘাত দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে। এতে সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং স্থানীয় সুশাসন আরও শক্তিশালী হবে।সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। এতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইন সহায়তা সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাম আদালত প্রকল্পের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বিষয় : শক্তিশালী বিচারপ্রাপ্তি মামলার চাপ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


প্রান্তিক মানুষের বিচারপ্রাপ্তিতে গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করছে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

দেশের উচ্চ আদালতগুলোতে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা বিপুলসংখ্যক মামলার চাপ কমিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা পৌঁছে দিতে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ জোরদার করেছে সরকার। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আদালতমুখী মামলার সংখ্যা কমানো, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকেই এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রশাসনিক তদারকি, জনপ্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিট পুলিশের সম্পৃক্ততা, পৃথক বাজেট কোড প্রবর্তন এবং সরকারি কর্মসম্পাদন মূল্যায়নের সঙ্গে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।শনিবার (৪ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় প্রকল্প পরিচালক সুরাইয়া আখতার জাহান। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। 

আরও  পড়ুন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালতের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

সভা পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান।প্রধান অতিথি সুরাইয়া আখতার জাহান বলেন, গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য শুধু বিরোধ নিষ্পত্তি নয়; বরং সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক বিশ্বাস এবং স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। ভাইয়ে-ভাইয়ে, আত্মীয়স্বজন কিংবা প্রতিবেশীদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ দ্রুত স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি হলে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বিরোধ, মামলা ও সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতকে স্থায়ী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মাঠপর্যায়ে বিট পুলিশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে গ্রাম আদালতের জন্য পৃথক বাজেট কোড চালু, সরকারি কর্মসম্পাদন মূল্যায়নে এর কার্যকারিতা অন্তর্ভুক্ত এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, নারী, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে গ্রাম আদালতের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। তাই বিচারিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনও গ্রাম আদালত সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতনতা তৈরি হয়নি। অনেকেই ছোটখাটো বিরোধ নিয়েও সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হন। অথচ ইউনিয়ন পর্যায়ে এসব বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও  পড়ুন, চার মাস পর আবার চালু সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট

তিনি বলেন, উচ্চ আদালতের মামলার চাপ কমাতে সরকার গ্রাম আদালতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য ইউনিয়ন পরিষদে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, বিচারবান্ধব পরিবেশ এবং দক্ষ জনবল নিশ্চিত করতে হবে। বিচারকার্য পরিচালনাকারীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিচিতি বা পোশাক চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি উচ্চ আদালতে মামলা যাওয়ার আগে উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালুরও প্রস্তাব দেন তিনি।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রান্তিক মানুষের দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে মানুষের আস্থা তৈরি করা গেলে ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয়ভাবেই নিষ্পত্তি হবে এবং আদালতের ওপর চাপও কমবে।তিনি বলেন, উন্নত রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠাননির্ভর প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থা গড়ে তুলতে গ্রাম আদালত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।সভায় বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত কার্যকর হলে শুধু মামলার সংখ্যা কমবে না; বরং পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা-সংক্রান্ত ছোটখাটো দ্বন্দ্ব, প্রতিবেশী বিরোধ এবং স্থানীয় সামাজিক সংঘাত দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে। এতে সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং স্থানীয় সুশাসন আরও শক্তিশালী হবে।সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। এতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইন সহায়তা সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাম আদালত প্রকল্পের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত