বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিরাজগঞ্জ শহরে সংঘটিত তিনটি পৃথক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ৩৭৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকার এই আদেশ দেন।
আারও পড়ুন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ভোট পড়েছে মাত্র ৩৪ শতাংশ
পরোয়ানার তালিকায় আরও রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবীর বিন আনোয়ার অপু, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাত মুন্না, পৌরসভার অপসারিত মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা এবং সদর উপজেলা পরিষদের অপসারিত চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
সিরাজগঞ্জ কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানী জানান, তিনটি পৃথক হত্যা মামলায় মোট আসামি সংখ্যা ৫৪৯ জন। এর মধ্যে ৩৭৭ জন পলাতক রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তিনি জানান, যুবদল নেতা সোহানুর রহমান রঞ্জু হত্যা মামলায় ১২৫ জন, বিএনপি কর্মী আব্দুল লতিফ হত্যা মামলায় ১৩৩ জন এবং সুমন শেখ হত্যা মামলায় ১১৯ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন, মিরপুরে স্টোরে আগুনের আড়ালে চুরি: ৩ জন রিমান্ডে
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সিরাজগঞ্জ শহরে পৃথক তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। পরে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৫৪৯ জন নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বিষয় : সিরাজগঞ্জ গ্রেপ্তারি

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিরাজগঞ্জ শহরে সংঘটিত তিনটি পৃথক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ৩৭৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকার এই আদেশ দেন।
আারও পড়ুন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ভোট পড়েছে মাত্র ৩৪ শতাংশ
পরোয়ানার তালিকায় আরও রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবীর বিন আনোয়ার অপু, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাত মুন্না, পৌরসভার অপসারিত মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা এবং সদর উপজেলা পরিষদের অপসারিত চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
সিরাজগঞ্জ কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানী জানান, তিনটি পৃথক হত্যা মামলায় মোট আসামি সংখ্যা ৫৪৯ জন। এর মধ্যে ৩৭৭ জন পলাতক রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তিনি জানান, যুবদল নেতা সোহানুর রহমান রঞ্জু হত্যা মামলায় ১২৫ জন, বিএনপি কর্মী আব্দুল লতিফ হত্যা মামলায় ১৩৩ জন এবং সুমন শেখ হত্যা মামলায় ১১৯ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন, মিরপুরে স্টোরে আগুনের আড়ালে চুরি: ৩ জন রিমান্ডে
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সিরাজগঞ্জ শহরে পৃথক তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। পরে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৫৪৯ জন নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন