দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র-এ আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চালু হওয়া ইউনিটটি মাত্র ২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পরই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়।কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১নং ইউনিটটি মেরামত শেষে চালু করা হয়। তবে শনিবার (২ মে) সন্ধ্যার কিছু আগে বয়লারের টিউবে ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বন্ধ হওয়ার আগে ইউনিটটি থেকে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
আর ও পড়ুন ,কীর্তনখোলার তীরে নিভে গেছে শিপইয়ার্ডের শব্দ, বেকার হাজারো শ্রমিক
২০০৬ সালে চালু হওয়া এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এতে তিনটি ইউনিট রয়েছে—প্রথম দুটি ইউনিটের প্রতিটির ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং তৃতীয় ইউনিটের ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট, যা ২০১৭ সালে যুক্ত করা হয়।তবে শুরু থেকেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটি কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন বজায় রাখতে পারেনি।বারবার এমন অচলাবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিষয় : বন্ধ তাপবিদ্যুৎ বড়পুকুরিয়া

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র-এ আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চালু হওয়া ইউনিটটি মাত্র ২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পরই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়।কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১নং ইউনিটটি মেরামত শেষে চালু করা হয়। তবে শনিবার (২ মে) সন্ধ্যার কিছু আগে বয়লারের টিউবে ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বন্ধ হওয়ার আগে ইউনিটটি থেকে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
আর ও পড়ুন ,কীর্তনখোলার তীরে নিভে গেছে শিপইয়ার্ডের শব্দ, বেকার হাজারো শ্রমিক
২০০৬ সালে চালু হওয়া এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এতে তিনটি ইউনিট রয়েছে—প্রথম দুটি ইউনিটের প্রতিটির ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং তৃতীয় ইউনিটের ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট, যা ২০১৭ সালে যুক্ত করা হয়।তবে শুরু থেকেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটি কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন বজায় রাখতে পারেনি।বারবার এমন অচলাবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন