দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

টিআইএন বাধ্যতামূলক নানা সেবায়, রিটার্নে পিছিয়ে করদাতারা

টিআইএন বাধ্যতামূলক নানা সেবায়, রিটার্নে পিছিয়ে করদাতারা
টিআইএন বাধ্যতামূলক নানা সেবায়

দেশে কর ব্যবস্থার আওতায় নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিলের হার তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে টিআইএনধারীর সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখের বেশি হলেও চলতি বছরে রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা।টিআইএন বা কর শনাক্তকরণ নম্বর হলো একটি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর, যা করদাতাকে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে করদাতার আয়, সম্পদ ও কর পরিশোধ সংক্রান্ত তথ্য সহজে যাচাই করা যায়।বর্তমানে টিআইএন ছাড়া প্রায় ৪০ ধরনের সেবা গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন , ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যা: সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

 এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি চাকরির কিছু নির্দিষ্ট পদে নিয়োগ, ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন, গাড়ির নিবন্ধন ও ফিটনেস নবায়ন।এছাড়া ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের সনদ গ্রহণেও টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের ঋণ, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োজন হয়।এছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক।এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, অনেকে শুধুমাত্র সেবা গ্রহণের জন্য টিআইএন নিলেও পরবর্তীতে নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন না, যা কর ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।এনবিআরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজেই টিআইএন নিবন্ধন করা যায় বলে জানানো হয়েছে।

বিষয় : নিবন্ধিত করদাতারা টিআইএন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


টিআইএন বাধ্যতামূলক নানা সেবায়, রিটার্নে পিছিয়ে করদাতারা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

দেশে কর ব্যবস্থার আওতায় নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিলের হার তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে টিআইএনধারীর সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখের বেশি হলেও চলতি বছরে রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা।টিআইএন বা কর শনাক্তকরণ নম্বর হলো একটি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর, যা করদাতাকে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে করদাতার আয়, সম্পদ ও কর পরিশোধ সংক্রান্ত তথ্য সহজে যাচাই করা যায়।বর্তমানে টিআইএন ছাড়া প্রায় ৪০ ধরনের সেবা গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন , ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যা: সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

 এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি চাকরির কিছু নির্দিষ্ট পদে নিয়োগ, ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন, গাড়ির নিবন্ধন ও ফিটনেস নবায়ন।এছাড়া ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের সনদ গ্রহণেও টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের ঋণ, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োজন হয়।এছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক।এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, অনেকে শুধুমাত্র সেবা গ্রহণের জন্য টিআইএন নিলেও পরবর্তীতে নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন না, যা কর ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।এনবিআরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজেই টিআইএন নিবন্ধন করা যায় বলে জানানো হয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত