জাতীয় সংসদের সমাপনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার প্রধানের চেয়ারটি বাইরে থেকে আরামদায়ক মনে হলেও বাস্তবে এটি অত্যন্ত কঠিন দায়িত্বের স্থান। তিনি বলেন, এই চেয়ারে বসলে প্রতিনিয়ত দায়িত্বের চাপ ও সিদ্ধান্তের ভার অনুভূত হয়, যা অনেকটা “তপ্ত আগুনের মতো”।বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শেষ দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে জনপ্রিয় বক্তব্য দিয়ে হাততালি পাওয়া সহজ হলেও সরকার পরিচালনার আসনে বসে তা সম্ভব নয়। এখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত হতে হয় দেশের স্বার্থে, জনপ্রিয়তার জন্য নয়।
তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সাময়িক বাহবা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।দেশের কৃষি ও পরিবেশ সংকট প্রসঙ্গে তিনি জলাবদ্ধতা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, খাল পুনঃখননের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পানির উৎস পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, তবে এর ফল পেতে সময় লাগবে।শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত নিয়েও বক্তব্যে তিনি বলেন, মোট বাজেটের প্রায় ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরো পড়ুন , মহান মে দিবস আজ : জীবনযাত্রার চাপে নাজুক শ্রমবাজার
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলব্যাগ, বই ও জুতা বিতরণ এবং শিক্ষকদের সম্মান বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।বিরোধী দলের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, বরং জনগণের সমস্যার বাস্তব সমাধানই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, কারণ কোনো পক্ষের ব্যর্থতা মানেই পুরো দেশের ক্ষতি।
বিষয় : আগুন দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
জাতীয় সংসদের সমাপনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার প্রধানের চেয়ারটি বাইরে থেকে আরামদায়ক মনে হলেও বাস্তবে এটি অত্যন্ত কঠিন দায়িত্বের স্থান। তিনি বলেন, এই চেয়ারে বসলে প্রতিনিয়ত দায়িত্বের চাপ ও সিদ্ধান্তের ভার অনুভূত হয়, যা অনেকটা “তপ্ত আগুনের মতো”।বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শেষ দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে জনপ্রিয় বক্তব্য দিয়ে হাততালি পাওয়া সহজ হলেও সরকার পরিচালনার আসনে বসে তা সম্ভব নয়। এখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত হতে হয় দেশের স্বার্থে, জনপ্রিয়তার জন্য নয়।
তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সাময়িক বাহবা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।দেশের কৃষি ও পরিবেশ সংকট প্রসঙ্গে তিনি জলাবদ্ধতা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, খাল পুনঃখননের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পানির উৎস পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, তবে এর ফল পেতে সময় লাগবে।শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত নিয়েও বক্তব্যে তিনি বলেন, মোট বাজেটের প্রায় ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরো পড়ুন , মহান মে দিবস আজ : জীবনযাত্রার চাপে নাজুক শ্রমবাজার
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলব্যাগ, বই ও জুতা বিতরণ এবং শিক্ষকদের সম্মান বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।বিরোধী দলের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, বরং জনগণের সমস্যার বাস্তব সমাধানই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, কারণ কোনো পক্ষের ব্যর্থতা মানেই পুরো দেশের ক্ষতি।

আপনার মতামত লিখুন