টানা বৃষ্টিতে আবারও পানির নিচে চলে গেছে কুমিল্লা শহর-এর বিস্তীর্ণ এলাকা। কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে নগরীর সড়ক, বাজার ও আবাসিক এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা।সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে আদালত সড়ক, লাকসাম সড়ক, সালাউদ্দিন মোড়, মনোহরপুর, রেইসকোর্স ও ঈদগাহ সড়কসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক দোকান ও বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আরো পড়ুন , গঙ্গাচড়ায় জনসেবায় ধীরগতি, ইউএনও’র ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অনেক পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি ঢুকে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। কোথাও বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি ও চার্জলাইট ব্যবহার করে পরীক্ষা নেওয়া হয়।এক অভিভাবক জানান, বৃষ্টির কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রেই পানি ঢুকে পড়ে এবং শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়।মগবাড়ি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুস সালাম বলেন, “দোকানে পানি ঢুকে সব নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা প্রয়োজন।”পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করেছে। প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু-এর নির্দেশে ড্রেন ও খালের মুখ পরিষ্কার করা হচ্ছে।তবে বিকেল পর্যন্ত নগরীর বহু নিম্নাঞ্চল পানির নিচেই ছিল।
বিষয় : এসএসসি পরীক্ষার্থী জলাবদ্ধ

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
টানা বৃষ্টিতে আবারও পানির নিচে চলে গেছে কুমিল্লা শহর-এর বিস্তীর্ণ এলাকা। কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে নগরীর সড়ক, বাজার ও আবাসিক এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা।সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে আদালত সড়ক, লাকসাম সড়ক, সালাউদ্দিন মোড়, মনোহরপুর, রেইসকোর্স ও ঈদগাহ সড়কসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক দোকান ও বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আরো পড়ুন , গঙ্গাচড়ায় জনসেবায় ধীরগতি, ইউএনও’র ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অনেক পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি ঢুকে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। কোথাও বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি ও চার্জলাইট ব্যবহার করে পরীক্ষা নেওয়া হয়।এক অভিভাবক জানান, বৃষ্টির কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রেই পানি ঢুকে পড়ে এবং শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়।মগবাড়ি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুস সালাম বলেন, “দোকানে পানি ঢুকে সব নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা প্রয়োজন।”পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করেছে। প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু-এর নির্দেশে ড্রেন ও খালের মুখ পরিষ্কার করা হচ্ছে।তবে বিকেল পর্যন্ত নগরীর বহু নিম্নাঞ্চল পানির নিচেই ছিল।

আপনার মতামত লিখুন