দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং সময়োপযোগী করতে দীর্ঘদিনের আলোচিত একক ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ আবারও সামনে এসেছে।সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানান, শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমানো এবং ভর্তি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা দূর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি-মার্চে আয়োজন করা হতে পারে। এতে জুন মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে এবং জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা শুরু করা যাবে—যা বর্তমান সময়সূচির তুলনায় প্রায় চার মাস এগিয়ে।বর্তমানে এইচএসসি পাসের পর শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয় এবং বিভিন্ন শহরে ঘুরতে হয়। এতে আর্থিক ও মানসিক চাপ বাড়ে।
আরো পড়ুন , হামলার শঙ্কা নেই, সর্বোচ্চ সতর্কতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: র্যাব
এই ভোগান্তি কমাতে আগে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু করা হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে একসময় ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় এই পদ্ধতিতে অংশ নিলেও পরে কিছু প্রতিষ্ঠান সরে দাঁড়ায়।বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজগুলো আলাদা ভর্তি পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের একাধিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে একটি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ইউজিসিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, একক ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে শিক্ষার্থীদের সময়, অর্থ এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমবে। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় ও নীতিগত ঐকমত্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার সিদ্ধান্ত নিলে তারা তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত, তবে এতে প্রশাসনিক চাপ বাড়বে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং সময়োপযোগী করতে দীর্ঘদিনের আলোচিত একক ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ আবারও সামনে এসেছে।সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানান, শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমানো এবং ভর্তি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা দূর করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি-মার্চে আয়োজন করা হতে পারে। এতে জুন মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে এবং জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা শুরু করা যাবে—যা বর্তমান সময়সূচির তুলনায় প্রায় চার মাস এগিয়ে।বর্তমানে এইচএসসি পাসের পর শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিতে হয় এবং বিভিন্ন শহরে ঘুরতে হয়। এতে আর্থিক ও মানসিক চাপ বাড়ে।
আরো পড়ুন , হামলার শঙ্কা নেই, সর্বোচ্চ সতর্কতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: র্যাব
এই ভোগান্তি কমাতে আগে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু করা হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে একসময় ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় এই পদ্ধতিতে অংশ নিলেও পরে কিছু প্রতিষ্ঠান সরে দাঁড়ায়।বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজগুলো আলাদা ভর্তি পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের একাধিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে একটি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ইউজিসিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, একক ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে শিক্ষার্থীদের সময়, অর্থ এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমবে। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় ও নীতিগত ঐকমত্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার সিদ্ধান্ত নিলে তারা তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত, তবে এতে প্রশাসনিক চাপ বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন