হাজার বছর ধরে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে পরিচিত দুধ নিয়ে পুষ্টিবিদদের মাঝে মাঝে বিতর্ক থাকলেও আধুনিক গবেষণা বলছে, দুধের স্বাস্থ্য উপকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিজ্ঞানসম্মত। এক কাপ (২৪৪ গ্রাম) গরুর দুধে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসহ ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও সেলেনিয়ামের মতো উপাদান।
গবেষণা বলছে, দুধে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। বিশেষ করে অর্গানিক দুধে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।দীর্ঘদিন ধরেই দুধকে মজবুত হাড়ের প্রধান উৎস হিসেবে ধরা হয়। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন কে-২ হাড়ের গঠন শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দুধ পান বয়স্কদের অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমাতে পারে।
আরও পড়ুন, সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরের জন্য উপকারী
অনেকের ধারণা দুধ ওজন বাড়ায়, তবে গবেষণা বলছে উল্টো কথা। দুধে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ফিটনেস বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি শরীরচর্চার পর দুধ পান পেশি পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
আরও পড়ুন, তীব্র গরমে এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার সহজ ও কার্যকর উপায়
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যাদের শরীরে ল্যাকটোজ সহ্য হয় না, তাদের জন্য বিকল্প হিসেবে আমন্ড মিল্ক, ওট মিল্ক, রাইস মিল্ক বা কোকোনাট মিল্ক গ্রহণ করা যেতে পারে।
বিষয় : উপকারিতা ওজন দুধ অস্টিওপরোসিস

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
হাজার বছর ধরে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে পরিচিত দুধ নিয়ে পুষ্টিবিদদের মাঝে মাঝে বিতর্ক থাকলেও আধুনিক গবেষণা বলছে, দুধের স্বাস্থ্য উপকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিজ্ঞানসম্মত। এক কাপ (২৪৪ গ্রাম) গরুর দুধে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসহ ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও সেলেনিয়ামের মতো উপাদান।
গবেষণা বলছে, দুধে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। বিশেষ করে অর্গানিক দুধে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।দীর্ঘদিন ধরেই দুধকে মজবুত হাড়ের প্রধান উৎস হিসেবে ধরা হয়। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন কে-২ হাড়ের গঠন শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দুধ পান বয়স্কদের অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমাতে পারে।
আরও পড়ুন, সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরের জন্য উপকারী
অনেকের ধারণা দুধ ওজন বাড়ায়, তবে গবেষণা বলছে উল্টো কথা। দুধে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ফিটনেস বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি শরীরচর্চার পর দুধ পান পেশি পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
আরও পড়ুন, তীব্র গরমে এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার সহজ ও কার্যকর উপায়
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যাদের শরীরে ল্যাকটোজ সহ্য হয় না, তাদের জন্য বিকল্প হিসেবে আমন্ড মিল্ক, ওট মিল্ক, রাইস মিল্ক বা কোকোনাট মিল্ক গ্রহণ করা যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন