তীব্র গরমে দিন কাটানো এখন অনেকের জন্যই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এসি ছাড়া ঘরে থাকা আরও বেশি অস্বস্তিকর। তবে কিছু সহজ প্রাকৃতিক কৌশল ব্যবহার করে ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
যেসব ঘর দক্ষিণমুখী, সেখানে সকাল-বিকেল জানালা খুলে রাখা যেতে পারে। তবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি রোদ ঢোকে এমন জানালা বন্ধ রাখা ভালো। ঘন কাপড় বা হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করলে ঘরে রোদ ঢোকা কমে যায়। বাঁশের চিকও কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
আরও পড়ুন, সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরের জন্য উপকারী
সিলিং ফ্যানের নিচে বরফের বাটি বা ভেজা কাপড় রাখলে বাতাস তুলনামূলক ঠান্ডা লাগে। এছাড়া জানালার সামনে ভেজা চাদর ঝুলিয়ে রাখলে বাইরে থেকে আসা বাতাসও শীতল হয়ে ঘরে প্রবেশ করে।
ইনডোর গাছ যেমন স্নেক প্ল্যান্ট বা মানি প্ল্যান্ট ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা কমাতে সাহায্য করে এবং বাতাসও শুদ্ধ রাখে।
দিনের বেলায় অপ্রয়োজনীয় রান্না, ইস্ত্রি বা বেশি আলো জ্বালানো এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ এগুলো ঘরের ভেতর তাপমাত্রা বাড়ায়।
আরও পড়ুন, এপ্রিলের তৃতীয় রোববার আগামীকাল হাজব্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে
ভারী কার্পেট বা গাঢ় পর্দার বদলে হালকা সুতির চাদর ও কাপড় ব্যবহার করলে ঘর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে।
দিনে অন্তত দুইবার গোসল, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
রাতে জানালা খুলে দিলে ঠান্ডা বাতাস ঘরে ঢোকে। সকালে রোদ ওঠার আগে জানালা বন্ধ করলে সেই ঠান্ডা কিছুটা ধরে রাখা যায়।
বিষয় : তাপমাত্রা অস্বস্তিকর ঘর শীতল

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
তীব্র গরমে দিন কাটানো এখন অনেকের জন্যই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এসি ছাড়া ঘরে থাকা আরও বেশি অস্বস্তিকর। তবে কিছু সহজ প্রাকৃতিক কৌশল ব্যবহার করে ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
যেসব ঘর দক্ষিণমুখী, সেখানে সকাল-বিকেল জানালা খুলে রাখা যেতে পারে। তবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি রোদ ঢোকে এমন জানালা বন্ধ রাখা ভালো। ঘন কাপড় বা হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করলে ঘরে রোদ ঢোকা কমে যায়। বাঁশের চিকও কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
আরও পড়ুন, সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরের জন্য উপকারী
সিলিং ফ্যানের নিচে বরফের বাটি বা ভেজা কাপড় রাখলে বাতাস তুলনামূলক ঠান্ডা লাগে। এছাড়া জানালার সামনে ভেজা চাদর ঝুলিয়ে রাখলে বাইরে থেকে আসা বাতাসও শীতল হয়ে ঘরে প্রবেশ করে।
ইনডোর গাছ যেমন স্নেক প্ল্যান্ট বা মানি প্ল্যান্ট ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা কমাতে সাহায্য করে এবং বাতাসও শুদ্ধ রাখে।
দিনের বেলায় অপ্রয়োজনীয় রান্না, ইস্ত্রি বা বেশি আলো জ্বালানো এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ এগুলো ঘরের ভেতর তাপমাত্রা বাড়ায়।
আরও পড়ুন, এপ্রিলের তৃতীয় রোববার আগামীকাল হাজব্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে
ভারী কার্পেট বা গাঢ় পর্দার বদলে হালকা সুতির চাদর ও কাপড় ব্যবহার করলে ঘর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে।
দিনে অন্তত দুইবার গোসল, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
রাতে জানালা খুলে দিলে ঠান্ডা বাতাস ঘরে ঢোকে। সকালে রোদ ওঠার আগে জানালা বন্ধ করলে সেই ঠান্ডা কিছুটা ধরে রাখা যায়।

আপনার মতামত লিখুন