দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন  তালুকদার

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন তালুকদার

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি

বড় বড় গর্তে বেহাল সড়ক, গংগাচড়ার বড়বিলে দুর্ভোগে দেড় হাজার মানুষ

বড় বড় গর্তে বেহাল সড়ক, গংগাচড়ার বড়বিলে দুর্ভোগে দেড় হাজার মানুষ

বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চোর সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার

বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চোর সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার

ফটিকছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ ও বাঁশ জব্দ, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর

ফটিকছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ ও বাঁশ জব্দ, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর

পদ্মার বাসডুবিতে রানা প্লাজার বেঁচে যাওয়া নাসিমার মৃত্যু

পদ্মার বাসডুবিতে রানা প্লাজার বেঁচে যাওয়া নাসিমার মৃত্যু
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফিরলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে মারা গেছেন নাসিমা বেগম।

১২ বছর আগে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফিরলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে মারা গেছেন নাসিমা বেগম। ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা ফেরার পথে দুই স্বজনের সঙ্গে তার মৃত্যু হয়। দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৪নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী নাসিমা বেগম।

২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফেরা একটি আলোচিত নাম নাসিমা। ঘটনার তিনদিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিলেন নাসিমাকে। সেবার ভাগ্য সহায় হলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাসডুবিতে থেমে গেছে তার জীবন।

জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান নাসিমা। এক মাস চেষ্টার পরও কোনো চাকরি পাননি তিনি। পরে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।

আরো পড়ুন , মসজিদ কমিটিকে কেন্দ্র করে সাঁথিয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ

 বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে নাসিমা, তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান। ডুবে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আব্দুল আজিজকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের লাশ উদ্ধার করে উদ্ধারকারীরা।

নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী জানান, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে তিনদিন আটকে থাকার পর অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন তিনি। এরপর থেকে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন নাসিমা। তবে স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে আবারও ঢাকা ফেরেন তিনি। সেই ফেরায় তার মৃত্যু হলো। 

বিষয় : পদ্মা বাসডুবি নাসিমা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


পদ্মার বাসডুবিতে রানা প্লাজার বেঁচে যাওয়া নাসিমার মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

১২ বছর আগে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফিরলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে মারা গেছেন নাসিমা বেগম। ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা ফেরার পথে দুই স্বজনের সঙ্গে তার মৃত্যু হয়। দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৪নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী নাসিমা বেগম।

২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফেরা একটি আলোচিত নাম নাসিমা। ঘটনার তিনদিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিলেন নাসিমাকে। সেবার ভাগ্য সহায় হলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাসডুবিতে থেমে গেছে তার জীবন।

জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান নাসিমা। এক মাস চেষ্টার পরও কোনো চাকরি পাননি তিনি। পরে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।


আরো পড়ুন , মসজিদ কমিটিকে কেন্দ্র করে সাঁথিয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ


 বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে নাসিমা, তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান। ডুবে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আব্দুল আজিজকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের লাশ উদ্ধার করে উদ্ধারকারীরা।

নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী জানান, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে তিনদিন আটকে থাকার পর অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন তিনি। এরপর থেকে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন নাসিমা। তবে স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে আবারও ঢাকা ফেরেন তিনি। সেই ফেরায় তার মৃত্যু হলো। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত