জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল বাস্তবায়নের দাবি
চীনের ডালিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ জলবায়ু নেতৃত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে তিনি অংশ নেন।বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং সম্মিলিত অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার জন্য ঘোষিত তহবিলকে বাস্তবায়নে রূপ দিতে হবে। একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন আরও সহজলভ্য করা এবং সবুজ জলবায়ু তহবিলকে কার্যকর করার ওপরও তিনি জোর দেন।প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শুধু ক্ষতি প্রশমন নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন সক্ষমতা তৈরি করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।এর আগে সম্মেলনস্থলে তাকে স্বাগত জানান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলমান এবারের দাভোস সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা।বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ জলবায়ু নেতৃত্ব বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সেশনে অংশ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।চীনের ডালিয়ান শহরের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকার অপরিহার্য। তিনি বিশেষভাবে জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিলকে কেবল আরো পড়ুন , ২২ বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ কর্মী বিদেশে, ফিরে আসাদের তথ্য নেইপ্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন সহজলভ্য করা এবং সবুজ জলবায়ু তহবিলকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো জরুরি। পাশাপাশি প্রশমন ও অভিযোজন—উভয় দিকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।এর আগে সম্মেলনস্থলে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে স্বাগত জানান।২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলমান এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, উদীয়মান প্রযুক্তি, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা অংশ নিচ্ছেন।