ওমান উপসাগরে জব্দ জাহাজ ঘিরে উত্তেজনা: চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের অভিযোগ, বেইজিংয়ের কড়া অস্বীকার
ওমান উপসাগরে জব্দ হওয়া একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জাহাজটির সঙ্গে চীনের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তবে এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বেইজিং।মঙ্গলবার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের পতাকাবাহী ওই জাহাজে চীনের পাঠানো ‘উপহার’ ছিল, যা ভালো কিছু নয়। এর আগে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত Nikki Haley। তিনি বলেন, জাহাজটিতে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক থাকতে পারে।তবে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এসব অভিযোগ নাকচ করে দেন। তিনি জানান, এটি একটি বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজ এবং এর সঙ্গে চীনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।এর মধ্যেই নতুন মাত্রা যোগ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অভিযান। United States Central Command বা সেন্টকম জানায়, তারা ওমান উপসাগরে ‘তুসকা’ নামের একটি ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ জব্দ করেছে। অভিযানের সময় জাহাজটিতে তিন দফা গুলি চালানো হয়।সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, জাহাজটিতে ‘ডুয়াল-ইউজ’ অর্থাৎ এমন সরঞ্জাম ছিল, যা বেসামরিক ও সামরিক—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা সম্ভব। এর মধ্যে ধাতব আরো পড়ুন , বেঙ্গালুরুতে প্রেমিককে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার তরুণীবস্তু, পাইপ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের মতো পণ্য থাকতে পারে।জাহাজটির গতিপথ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এটি চীনের তাইকাং ও গাওলান বন্দর থেকে যাত্রা করে মালয়েশিয়ায় যাত্রাবিরতির পর ওমান উপসাগরে পৌঁছায়।এদিকে এই ঘটনাকে বেআইনি ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে ইরান। তেহরান অবিলম্বে জাহাজের নাবিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে এবং ঘটনার জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছে।সব মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।