মাইক্রোচিপ বল ও ভিএআরের সিদ্ধান্তে পর্তুগালের রোমাঞ্চকর জয়
ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ প্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহারে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ভিএআরের সহায়তায় বাতিল হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল, আর সেই সিদ্ধান্তেই জয় নিশ্চিত হয় পর্তুগালের।২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অ্যাডিডাসের অফিশিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’-তে সংযুক্ত বিশেষ মাইক্রোচিপ প্রযুক্তি বল স্পর্শের ক্ষুদ্রতম মুহূর্তও শনাক্ত করতে সক্ষম। ভিএআর পর্যালোচনার সময় এই প্রযুক্তির তথ্য ব্যবহার করে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।অতিরিক্ত সময়ের ১০৩তম মিনিটে জোসকো গভার্দিওলের করা সমতাসূচক গোলটি প্রথমে বৈধ মনে হলেও পরে ভিএআর হস্তক্ষেপ করে। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে দেখা যায়, পর্তুগিজ ডিফেন্ডার রেনাতো ভেইগার গায়ে বল লাগার আগেই ক্রোয়েশিয়ার ইগর মাতানোভিচ বল স্পর্শ করেছিলেন। সেই স্পর্শের মুহূর্তে মারিও পাসালিচ অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। আরও পড়ুন, ক্লান্তি কাটবে তো ব্রাজিল ম্যাচের আগে হালান্ডকে নিয়ে উদ্বেগপরবর্তীতে তার পাস থেকেই গভার্দিওল গোল করেন। ফলে অনফিল্ড রেফারি ভিডিও পর্যালোচনা শেষে গোলটি বাতিল ঘোষণা করেন।এর আগে দ্বিতীয়ার্ধে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজের প্রথম গোল করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পরে গনসালো রামোসের অতিরিক্ত সময়ের গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। ক্রোয়েশিয়া সমতা ফিরিয়েছে ভেবে উদযাপন শুরু করলেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে সেই আনন্দ মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল এবং শেষ ষোলোতে জায়গা নিশ্চিত করে।উল্লেখ্য, ক্রিকেটে বহুল পরিচিত ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ধারণা ১৯৯০-এর দশকে চালু হয়। পরে ফুটবলেও বলে সংযুক্ত সেন্সর ও ভিএআর প্রযুক্তির সমন্বয়ে এর অনুরূপ ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু হয়, যা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরও নির্ভুল করতে সহায়তা করছে।