রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণ কাল শপথ নেবে নতুন সংসদ ও মন্ত্রিসভা
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। সাধারণত বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হয়ে থাকলেও এবার তেমনটা হচ্ছে না। এবার প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একই দিন সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা শপথ নেবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়াবেন।এদিকে ৩৫ থেকে ৪০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন হচ্ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ উপলক্ষ্যে বঙ্গভবন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহণ পুল সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। নতুন মন্ত্রিসভায় যারা স্থান পাচ্ছেন তাদের শপথ নেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ফোন করে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। নির্বাচিত সব সংসদ-সদস্যের ফোন নম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে সংগ্রহ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। জানা গেছে, নির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে গাড়ি, বাছাই করা হয়েছে সিকিউরিটি টিম এবং শপথের ফোল্ডার। সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ব্যস্ত সময় পার করছে।আরো পড়ুন , প্রধান উপদেষ্টা কমকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ দিলেননতুন মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধান বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, সিনিয়র সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবীসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, সরকারের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও মিশনপ্রধান এবং সিনিয়র সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার দেশি-বিদেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।এদিকে সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে শপথের অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন নিশ্চিত এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুহূর্তটি সফল করতে যাবতীয় কাজ শেষ করে এনেছে। বিশেষ করে প্রটোকল এবং নিরাপত্তা থেকে শুরু করে অতিথি সেবা ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখা যৌথভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে সংসদ ভবনের ভেতরে ও বাইরে পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং অবকাঠামোগত প্রস্তুতির কাজ শেষ হয়েছে।