দেশে সৌরবিদ্যুৎ, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে স্থানীয়ভাবে লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তবে উদ্যোক্তারা বলছেন, প্রশাসনিক জটিলতায় সেই উদ্যোগের সুফল মিলছে না।জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্প্রতি এসআরও-১৬৬ জারি করে লিথিয়াম-আয়ন, সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং ব্যাটারি প্যাক উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি কম শুল্কে আমদানির সুযোগ দিয়েছে।এ সুবিধা পেতে প্রতিষ্ঠানকে বিডা ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত উৎপাদনকারী হতে হবে। এরপর এনবিআরের কাস্টমস প্রসিডিউর কোড বা সিপিসি পেলেই কার্যকর হবে শুল্ক সুবিধা।আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম কাস্টমসে পণ্য খালাসে প্রশাসনিক জটে বাজারে বাড়ছে ব্যয়ের চাপতবে শিল্পোদ্যোক্তাদের অভিযোগ, সিপিসি পেতে দীর্ঘ সময় লাগায় বন্দরে কাঁচামাল আটকে থাকছে। এতে বাড়ছে ডেমারেজ, গুদাম ভাড়া এবং ব্যাংক সুদের ব্যয়। ফলে নতুন বিনিয়োগ ও উৎপাদন শুরু অনিশ্চয়তায় পড়ছে।এদিকে এনবিআর বলছে, প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষ করেই সিপিসি দেওয়া হয়। অন্যদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাছান মাহমুদ টুকু সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আঞ্চলিক লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে পারলেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।