৫ বছরে ৯ হাজার কিমি খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের
ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।রবিবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। বিষয়টি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ লক্ষ্যেই বিদ্যমান চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, যৌথ নদী কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সমন্বয়ে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।উজানের দেশগুলোতে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও পানির প্রাপ্যতা কমছে বলে জানান তিনি।পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি জাতীয় স্বার্থ, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শের ভিত্তিতে প্রকল্পটি যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এছাড়া নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় আগামী জুনের মধ্যে ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন সম্পন্ন করা হবে। ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী আরো পড়ুন , সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি রোধে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বানএ্যানি।রবিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং বিষয়টি নির্বাচনি ইশতেহারেও অন্তর্ভুক্ত।মন্ত্রী জানান, যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সমন্বয়ে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার কাজ চলছে।তিনি বলেন, উজানের দেশগুলোর বিভিন্ন অবকাঠামোর কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহ হ্রাস পাচ্ছে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও পানির প্রাপ্যতা কমছে।পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি জাতীয় স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এছাড়া তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় আগামী জুনের মধ্যে ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হবে।