দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

অগ্ন্যুৎপাতে বিমানবন্দর বন্ধ, আন্তর্জাতিক রুটেও ব্যাপক বিঘ্ন

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ছাইয়ের ঝুঁকিতে ইন্দোনেশিয়ার প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার যাত্রী। এখন পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ২০৯টি ফ্লাইট।রোববার রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আনাক কারাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ধোঁয়া বিমানবন্দরের আকাশসীমায় শনাক্ত হওয়ার পর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী প্রণালিতে অবস্থিত আনাক কারাকাতোয়া পাহাড়। আগ্নেয়গিরিটিতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হওয়ার পর ধোঁয়া প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।এর আগে শনিবার সেখানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিস্ফোরণের শব্দ প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা গেছে।আড়ও পড়ুন,২৩-৩ ভোটে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিরাপত্তা পরিষদে বিস্ফোরণের পর আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।এরপর রোববার আরও দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। অগ্ন্যুৎপাতের ধোঁয়া ও ছাই আকাশপথে ছড়িয়ে পড়ায় বিমান চলাচল নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হয়।বিমানবন্দর বন্ধের কারণে এখন পর্যন্ত ২০৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে সিঙ্গাপুর থেকে যাওয়া-আসার বিমান চলাচলে। পাশাপাশি কুয়ালালামপুর, দোহা ও সিডনিগামী আন্তর্জাতিক রুটেও দেখা দিয়েছে বড় ধরনের বিঘ্ন।আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুধু বিমান চলাচলেই নয়, সমুদ্রপথেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। জাভা ও সুমাত্রার মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিতে আনাক কারাকাতোয়া অবস্থিত হওয়ায় সেখানে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।সব মিলিয়ে অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় একদিকে বিমান চলাচল বন্ধ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ভোগান্তি—পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এখন আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম ও আকাশসীমার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ।

অগ্ন্যুৎপাতে বিমানবন্দর বন্ধ, আন্তর্জাতিক রুটেও ব্যাপক বিঘ্ন