বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা আট মাইল এলাকায় ভূমি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সোহেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরীহ ও খেটে খাওয়া মানুষদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটের দিকে ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবারের ঘরে অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভেঙে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা সিজু অং নামের একজনকে আটক করে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে পালিয়ে থাকা প্রধান অভিযুক্ত সোহেল ও জয়নাল উদ্দিন ছোট্টকে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও পড়ুন, নেত্রকোনা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেনক্যাম্প কর্তৃপক্ষ তিনজনকে কুমারী পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করে। কুমারী ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জামিল তাদের লামা থানায় নিয়ে যান। পুলিশ জানায়, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ভুক্তভোগী অসহায় নারীরা জানান, এটি তাদের ওপর তৃতীয় দফা হামলা। এর আগে তাদের তৈরি করা মাটির ঘরও ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা চলছে। শ্মশান ও বসতভিটার জায়গায় রিসোর্ট নির্মাণের নামে জবরদখলের অপচেষ্টা ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী কিশোরীর সন্তান প্রসব, অভিযুক্ত যুবক কারাগারেএ ঘটনায় এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধ, দখলকৃত জমি ফেরত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।