দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকার বাজেট

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় ৩৯৩ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে এ প্রস্তাব দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সরকার বলছে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ড সচল রাখতেই এ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতীতের ভুল নীতি, দুর্নীতি, ক্যাপাসিটি চার্জ এবং বিতর্কিত চুক্তির কারণে ব্যয় বেড়েছে। চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। তবে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনো পুরোপুরি আরো পড়ুন , আয়কর রিটার্নে বড় পরিবর্তন, আগে দিলে ছাড় পরে জরিমানানিশ্চিত হয়নি। এ অবস্থায় সরকার অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, স্মার্ট গ্রিড উন্নয়ন, সিস্টেম লস কমানো এবং সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সোলার, উইন্ড ও ব্যাটারি প্ল্যান্টে বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।সরকার আরও জানিয়েছে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে বাপেক্সের মাধ্যমে নতুন কূপ খনন, সমুদ্রে অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান এবং নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকার বাজেট