দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বাজারে স্বস্তি নেই, মাস শেষের হিসাব মেলাতে হিমশিম

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আয় বাড়েনি, অথচ বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সবচেয়ে বেশি বিপাকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবার। নিম্ন আয়ের মানুষ কষ্টের কথা প্রকাশ করতে পারলেও স্বল্প বেতনের চাকরিজীবী ও মধ্যবিত্তের দুর্ভোগ অনেকটাই নীরব।রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে মিলেছে এমনই চিত্র। শুক্রবার সকালে বাজারে দেখা গেছে, বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে।পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি। আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা। কোথাও আবার পাঁচ কেজি আলু ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং চারটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে ডিমের দাম।মাংসের বাজারেও একই চিত্র। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।আরও পড়ুন, বৈধ আমদানি নেই, তবু ১১ হাজার কোটি টাকার হীরার বাজারআবদুল্লাহপুরের মাছের আড়তে বড় রুই ৩৩০ থেকে ৩৮০, কাতল ৩৬০ থেকে ৪০০ এবং ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ২ হাজার টাকা কেজি পর্যন্ত।এদিকে বেড়েছে আটা, ময়দা ও চিনির দাম। প্যাকেটজাত আটা এখন ৬৫ টাকা কেজি, যা ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও ছিল ৫৫ টাকা। খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ এবং প্যাকেটজাত ময়দা ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি। চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়।সবজির দাম কিছুটা কমলেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। অধিকাংশ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচ খুচরা বাজারে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি।ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। খোলা সয়াবিন ১৮৫ থেকে ১৯০ এবং পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা লিটার। বোতলজাত সয়াবিনের দাম এখনো ২০০ টাকা লিটার থাকলেও সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন খুচরা বিক্রেতারা।“নির্দিষ্ট বেতন দিয়েই সংসার চালাতে হয়। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় মাস শেষে হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

বাজারে স্বস্তি নেই, মাস শেষের হিসাব মেলাতে হিমশিম